1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

বায়ুদূষণ আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ : নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মু. রিয়াজুল ইসলাম লিটন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে
নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের বেশিরভাগ নদ-নদীগুলো দখল হয়ে গেছে। এসব নদীগুলোকে দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। দখল উচ্ছেদের এই প্রক্রিয়া চলমান আছে। আমরা নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছি। দখলমুক্ত করার কাজ চলমান থাকবে।
আজ রোববার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কর্ম দিবসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমরা জয়ী হয়েছি। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সেটা আশা করি সফল হবো। দেশের উন্নয়ন অনেকটা দৃশ্যমান। আভ্যন্তরীণ নৌপথ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। তাছাড়া আমাদের টার্গেট ধারাবাহিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম বা বিভাগীয় শহর যেগুলো আছে সবসহ দেশের নদীগুলোকে দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে, এটা চলমান প্রক্রিয়া। এর বাইরে দূষণের ব্যাপারে আমরা কথা বলছি। বায়ুদূষণ আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশ মন্ত্রীর (সাবের হোসেন চৌধুরী) সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন- তিনি এ ব্যাপারে জোরালো অবস্থান নেবেন। এই সহযোগিতাটা পেলে আমরা আরও জোরালো অবস্থান গ্রহণ করতে পারবো দূষণের বিরুদ্ধে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরে আমরা বিভিন্ন কাজ শুরু করেছি এবং এখনো তা চলমান আছে। আমাদের মূল টার্গেট ছিল অভ্যন্তরীণ নৌপথ দশ হাজার কিলোমিটার তৈরি করা, সেটা ৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর। প্রধানমন্ত্রী সেটার অনুমোদন দিয়েছেন। আমাদের পায়রাবন্দরের টার্মিনালে জাহাজ আসা শুরু করেছে ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিদেশি অপারেটর সৌদি আরব আমাদের পতেঙ্গা টার্মিনাল নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।  টার্মিনালে আমাদের অগ্রগতি অনেক আছে। এই কাজগুলো চলমান, চলমান কাজগুলো এগিয়ে নেওয়া আমাদের দরকার।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com