1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বিএনপি শুধু ছাত্রদল-যুবদলের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সামরিক হামলা বন্ধের পর জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ২.২ শতাংশ ডেঙ্গু: আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫১২ রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, বাবা-ছেলে নিখোঁজ সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭ হাজার ৩৬৪ শিক্ষার্থীর ইরান যুদ্ধে সমর্থন মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মার্কিনির: রয়টার্সের জরিপ দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সিইসি নেতৃত্বাধীন কমিশনের বৈঠক চলছে জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ

বেঁচে থাকতে চায় হতদরিদ্র পরিবারের অসহায় প্রতিবন্ধী তিন বোন

আক্তার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় একই পরিবারের তিন বোন উম্বি(৬০) আকিতন (৫০) নুরুনাহার (৪০) তিন জনই শরীরিক মানসিক ভাবে প্রতিবন্ধী। ঠিক মতো যেমন কথা বলতে পারেন না,তেমনি কাজেও করতে পারেনা বাবা- মা হারা এই প্রতিবন্ধী তিন বোন। বাবা,মা-ভাইবিহীন হতদরিদ্র এই পরিবারের তাদের দেখভাল করার মত নেই কোন পরুষ সদস্য। দরিদ্র্য পরিবারে জন্ম হওয়ায় নিতে পারেনি কোন চিকিৎসা। তাই আজ জীবনের এই সময়ও জীবন মৃত্যুর সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে চায় উম্বি,আকিতনরা।সরজমিন চিত্রে দেখা যায়, উপজেলার ডাসার ইউনিয়ের পূর্ব দর্শনার গ্রামের ৪ ওয়ার্ডের মৃত সুলতান হাওলাদারের ভাঙ্গাচুরা জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছে তারই তিন প্রতিবন্ধী মেয়ে মেয়ে উম্বি বেগম, আকিতন, নুরুনাহার। রোগাক্রান্ত তিন বোনকে দেখে মনে হয়, জীবনের সমস্ত রং হারিয়ে আজ তারা জীবনের শেষটা গুনছে। জীবন যেন আজ তাদের কাছে অসহনীয় বোঝা হয়ে দাঁড়িছে।প্রতিবেশীদের কাছ থেকে যানা যায়, জন্মের পর আর দশটা সাধারণ বাচ্চার মত তারাও স্বাভাবিক ভাবে পৃথিবীতে এসেছিলো কিন্তু জন্মের কয়েক বছর পরেই আস্তে আস্তে শারীরিক ও মানসিক অবনতি হয় তাদের। এরমধ্যে মা মারা যায় তাদের, কয়েক বছর পরেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম পিতা সুলতান হাওলাদার অসুস্থতা জনিত কারণে মারা যায়। মা-বাবাকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পরে তারা এরপর থেকেই দিনদিন তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার আরো অবনতি হতে থাকে। বড় বোন উম্বি বেগম ও মেঝো বোন আকিতনের চেয়ে ছোট বোন নুরুননাহর কিছুটা সুস্থ থাকায় তিনিই মানুষের দুয়ারে দুয়ারে হাত পেতে যতটুকু সাহায্য পান তা দিয়ে কোন প্রকারে বেঁচে আছেন প্রতিবন্ধী বোনদের নিয়ে।বড় বোন উম্বি বেগম সাংবাদিক দেখে ভেবেছিল তাদেরকেও সাহায্য করতে এসেছে তাই তিনি কাছে এসে বলেন বলেন আপনারা সাহায্য করেন, আমাগো অনেক কষ্ট হয় । মানুষ সবসময় খাবার দেয় না, যেই দিন না দেয়, হেইদিন না খাইয়া ঘুমাই। আমাগো বাঁচা জন্য একটু সাহায্য করেন।প্রতিবেশী ইউনুস খন্দকার যানা যায়,এই পরিবারটি অনেক অসহায় আমরা প্রতিবেশীরা যা একটু সাহায্য করি তা দিয়েই বেঁচে আছে। প্রতিবন্ধী নুরুনাহারের নামে একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড থাকলেও তার বাকি বোনদের নামে কিছুই নেই। ফলে ভাতা বঞ্চিত হচ্ছেন প্রতিবন্ধী দুই বোন।আর এক প্রতিবেশী খাদিজা বেগম বলেন, এরা তিন বোন প্রতিবন্ধী এরা কোন কাজ করতে পারেনা পৃথিবীতে তাদের আপন কেউ নেই, তারা অসুস্থ হওয়ার কারনে সাহায্যের জন্য হেঁটে দুরে যাওয়া অনেক কষ্টসাধ্যের ব্যাপার তাদের জন্য। তাই তারা সমাজের মানুষের কাছে গিয়েও সাহায্য চাইতে পারে না। সমাজের সকল বিত্তবান মানুষদের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সিকদার জানান, আমার ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী এই পরিবারটিকে আমি নিয়মিত খোজ খবর নিচ্ছি। ওএমএস এর চাউলের একটা নাম দিয়েছি। সরকারী যত সহযোগীতা দেয়ার পাশাপাশি আমি ব্যাক্তিগত ভাবে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করবো।এ বিষয়ে ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজা মো: গোলাম মাসুম প্রধান বলেন, আমি দেখলাম প্রতিবন্ধী পরিবারটি আসলেই অসহায়। প্রশাসন অবশ্যই তাদের পাশে দাঁড়াবে। আমি শুনেছি তাদের একজন মাত্র প্রতিবন্ধী ভাতা পায়। বাকি দুজনকে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনা হবে। সাময়িকভাবে পরিবারের জন্য যথা সম্ভব তাদের সহযোগিতা করা হবে। এছাড়াও তাদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হলে তারা যদি সেটা চালিয়ে নিতে পারে তাহলে আমরা সে ব্যবস্থাও করবো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com