দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জে সন্ত্রাস, ছিনতাই, মাদক, ভূমিদস্যু, কিশোর গ্যাং ও ভুয়া সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে এবং বোচাগঞ্জ থানার ওসির অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বোচাগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে সেতাবগঞ্জ চৌরাস্তায় বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সমাবেশে দিনাজপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নওশাদ আলী সভাপতিত্বে ও ইঞ্জিনিয়ার ফাহাদ হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, জেলা বিএনপির ইসলাম, শিক্ষা, সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ জামাল উদ্দিন জামাল, বোচাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ রিয়াদ হাসান চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক- মোঃ মাইনুল হাসান মানু, মোঃ আরিফ হোসেন, বোচাগঞ্জ উপজেলা যুবদল দল আহবায়ক সাদেকুর রহমান চৌধুরী সুমন, সদস্য সচিব মোঃ রায়হান রুবেল, সেতাবগঞ্জ পৌর যুবদল সদস্য সচিব মোঃ মসিউর রহমান, পৌর সেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিব মোঃ লিমন খন্দকার, পৌর ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ রায়হান ইসলাম, মঙ্গলপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মোঃ মিনহাজ আহমেদ, পৌর বিএনপির উপদেষ্টা এম ওয়ালী ফ্লাড, বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মজিবর রহমান, ১নং নাফানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহনেওয়াজ পারভেজ শাহান, ৩ নং মুর্শিদহাট ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াক্কাস আলী কাঞ্চন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রেদওয়ানুল কারিম রাবিদ, আলেম মুফতি আনোয়ার হোসেন, নির্যাতিত এলাকাবাসী- শ্রী সন্তোষ চন্দ্র রায়, তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি মায়া।এসময় বক্তারা বলেন, ফয়সাল মোস্তাক সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে এতদিন বোচাগঞ্জ উপজেলায় সন্ত্রাস, ছিনতাই, মাদক, ভূমিদস্যু, কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেছে। বোচাগঞ্জবাসী এতদিন মুখবুঝে এসব সহ্য করেছে কিন্তু এখন সময় এসেছে রুখে দাড়ানোর। ফয়সাল মোস্তাক সহ তার বাবা ফজল এবং চাচা শামসুল আলম এমন কোন অপকর্ম নেই, যা তারা করে নাই। তাই বোচাগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি এই ভুয়া সমন্বয়ক ও তার পরিবারকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনা, এর ব্যতিক্রম হলে কঠোর কর্মসূচিরও হুশিয়ারি দেন বক্তারা।বক্তারা আরও বলেন, বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাসান জাহিদ সরকার অজানা কোনো কারণে ফয়সাল মোস্তাকের প্রতি দূর্বল। গত ৩ ডিসেম্বর থানা চত্বরের ভিতর দিনাজপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি নওশাদ আলীকে লাঞ্চিত করলেও নিরব ভূমিকা পালন করে বোচাগঞ্জ থানার ওসি। এমনকি ফয়সাল মোস্তাক ঐদিন নিজেই স্বীকার করেছেন, সে যে অর্থ আয় করেন তার অর্ধেক পায় বোচাগঞ্জ থানা। তাই ওসি মোঃ হাসান জাহিদ সরকারকে আজকের মধ্যে অপসারন করার দাবিও জানায় বক্তারা।