1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাজিতপুরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা পাইকগাছার ২ তরমুজ ব্যবসায়ী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত! সালিশি চুক্তি ভেঙে দ্বন্দ্ব তীব্র—লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ রায়গঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত ​নওগাঁর শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা: এক বিরামহীন পথচলার নাম প্রফেসর মুহম্মদ ওয়ালীউল ইসলাম ​​নওগাঁ শহর এখন যানজটের নগরী: ফুটপাত দখল আর অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ জনজীবন নাজিরপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন, জনসচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচি নাজিরপুরে ডাকাত নিহতের ঘটনায় ডাকাত সর্দার গ্রেফতার থানায় গিয়ে নারী এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবক আটক! প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে : জামায়াত আমির

ভালোবাসা দিবসে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

ইসমাঈল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯৬৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন স্পটে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রিছাং ঝরনা, সাজেক ভ্যালিসহ জেলার বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

পর্যটকরা দল বেঁধে পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন। বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ ছিল বেশ লক্ষণীয়। প্রেমিক-প্রেমিকারা হাতে লাল গোলাপ নিয়ে ছবি তুলেছেন, উপহার বিনিময় করেছেন, কেউ আবার প্রকৃতির মাঝে ভালোবাসার দিনটি উদযাপন করেছেন।

খাগড়াছড়ির এক স্থানীয় পর্যটক বলেন, “বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রিয়জনদের নিয়ে পার্কে ঘুরতে এসেছি। বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি, বেশ ভালো লাগছে।”

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক ইসমাঈল হোসেন জানান, ““শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় বন্ধুরা মিলে খাগড়াছড়িতে এসেছি। অনেকদিন ধরেই আসার ইচ্ছে ছিল, আজ সেটি পূরণ হলো। এখানকার পরিবেশ মনোমুগ্ধকর।”

চট্টগ্রাম থেকে আসা এক দম্পতি বলেন, “ভালোবাসা দিবসে আমরা প্রতিবছরই কোথাও না কোথাও ঘুরতে যাই। এবার খাগড়াছড়ি এসেছি, ছেলে-মেয়েরাও খুব উপভোগ করছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই অসাধারণ।”

খাগড়াছড়ির রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। দোকান মালিকদের মতে, তরুণ ক্রেতাদের চাহিদা সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। খাবারের অর্ডার দিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেককে।

এক রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী জানান, “বিশেষ দিন হওয়ায় তরুণদের আনাগোনা ছিল বেশি। আমাদের কর্মীদের বাড়তি চাপ সামলাতে অতিরিক্ত লোক নিয়োগ দিতে হয়েছে।”

ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ির সব আবাসিক হোটেল ও মোটেল আগে থেকেই বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই দিনে এমন উপচে পড়া ভিড় প্রতিবছরই দেখা যায়।

একজন হোটেল মালিক বলেন, “পর্যটকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে বিশেষ সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেছি। যুগলদের জন্য রোমান্টিক পরিবেশ সাজানো হয়েছে, যাতে তারা উপভোগ করতে পারেন।”

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি রেখেছে, যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তা পর্যটন শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বাড়বে এবং পর্যটকদের আগমন আরও বাড়বে।

পর্যটকদের আনন্দঘন মুহূর্তগুলোই বলে দেয়, প্রকৃতির মাঝে ভালোবাসার আনন্দ উদযাপন সত্যিই অনন্য। ভালোবাসা দিবসে খাগড়াছড়ির সৌন্দর্য ও প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাস মিলে এক অনন্য আবহ তৈরি করেছে, যা দীর্ঘদিন মনে রাখবেন পর্যটকরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com