1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

ভোলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে পুলিশ পাহাড়ায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে প্রেরন

রিয়াজ উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকতা ডাক্তার আরিফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে স্টাফ ও রোগীদের সাথে বেসামাল আচরণ, দোকানে চা সিগারেটের টাকা বাকী রাখা, অফিসকক্ষে ছুরি ও পিস্তল দিয়ে ভয়ভীতি দেখানোসহ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অফিসার ইনচার্জ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় পুলিশ পাহারায় ওই কর্মকর্তাকে ভোলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে প্রেরন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শি ও সেবা নিতে আসা রোগী আনোয়ারা, কামালউদ্দিন, হেলালউদ্দিন জানান, টিএইচও  ডাক্তার আরিফুল ইসলাম প্রায় সময় রোগী ও স্টাফদের সাথে খুব খারাপ আচরণ করেন। এর আগে চা সিগারেটের বাকী টাকা নিয়ে উত্তেজনা করে ফুলবাগানের বাউন্ডারি ভেঙ্গে ফেলেন এবং দুই ঘন্টা সেবা বন্ধ রাখেন।
হাসপাতালে কর্মরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার কামরুজ্জামান কিছু সময় টিকিট বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, স্যারের আচরণে আমরা বিব্রত। যার তার সাথে অশালীন আচরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা বিব্রত বোধ করি। ইতোমধ্যে ভোলা সিভিল সার্জন তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
অভিযুক্ত স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকতা ডাক্তার আরিফুল ইসলামের কাছে অফিস কক্ষে ছুরি ও পিস্তল দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বেসামাল আচরণ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ফল কাটার জন্য অফিসে ছুরি এনেছিলাম।
তজুমদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল হক বলেন, হাসপাতালের গেটে ও বাহিরে  উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ করে। এই ঘটনায়  হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিকালে কিছু সময়ের জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আমরা হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।পরে সন্ধ্যায় তাকে ভোলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেরন করা হয়েছে।
ভোলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শফিকুল ইসলাম এর কাছে এসব বিষয়ে জানতে বার বার তার মুঠোফোনে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com