1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

রাবি অধিভুক্ত কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪
  • ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধিভুক্ত ১৩টি প্রকৌশল ও কৃষি কলেজ ও ইনস্টিটিউটে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ জুন) বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
রাবি কলেজ পরিদর্শক দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ও প্রকৌশল অনুষদের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষাটি সম্পন্ন হয়।পরীক্ষায় আবেদনকৃত ১১৭৩ জন ভর্তিচ্ছুর মধ্যে ৭১৮ জন অংশ নেয়।
উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার দুপুরে পরীক্ষার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ প্রকৌশল অনুষদ অধিকর্তার দপ্তরে যান ও পরীক্ষা অনুষ্ঠানসহ এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। এসময় সেখানে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সভাপতি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকৌশল অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক বিমল কুমার প্রামানিক, ভারপ্রাপ্ত কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক এ এম শহীদুল আলম, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আসাবুল হক ও ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাউদসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৯ মার্চ অধিভুক্ত কলেজসমূহে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। ১৭ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে ২০ মে রাত ১২টায় শেষ হয়।
বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) প্রশ্নে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ৮০টি প্রশ্নের পূর্ণমান ছিল ১০০ নম্বর। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা, পাস নম্বর ৪০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২০ নম্বর কাটা যাবে। অর্থাৎ পাঁচটি ভুল উত্তরের জন্য ১ নম্বর কাটা হবে।
প্রশ্নপত্রে আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক দুটি অংশ ছিল। আবশ্যিক অংশে পদার্থবিজ্ঞান অংশে প্রশ্ন থাকবে ২৫টি, রসায়ন ২৫টি এবং আইসিটি ৫টি, মোট ৫৫টি প্রশ্ন। আর ঐচ্ছিক অংশে গণিত ২৫টি, জীববিদ্যা ২৫টি এবং জীববিদ্যা ও গণিত ২৫টি। ঐচ্ছিক অংশে যেকোনো একটি বিষয়ে উত্তর দিতে হয়েছে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com