1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রিকশাচালকদের নির্ধারিত পোশাক পরিধান করতে হবে

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে মাত্রাতিরিক্ত রিকশা ভাড়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের সাথে আসা অভিভাবকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রতিবারই শোনা যায়। সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে এবার ক্যাম্পাসে ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ক্যাম্পাস এলাকার দূরত্ব হিসাব করে ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে সর্বনিম্ন ১০ ও সর্বোচ্চ ৩০ টাকা পর্যন্ত। 
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনসমূহের প্রতিনিধি, রিকশাচালকদের প্রতিনিধিসহ অন্যান্যদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে এ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর করতে রিকশাচালকদের নির্ধারিত পোশাক পরিধান করতে হবে। আগামীকাল থেকে কার্যকর হবে এ নির্ধারিত ভাড়া।
আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইনগেট থেকে অ্যাকাডেমিক ভবনসমূহে ১০ টাকা, সৈয়দ আমীর আলী হল, নবাব আব্দুল লতিফ হল ও শাহ মখ্দুম হল পর্যন্ত ১৫ টাকা। শহীদ সোহরাওয়াদী হল, মাদার বখ্শ হল, শহীদ শামসুজ্জোহা হল, শহীদ হবিবুর রহমান হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হল পর্যন্ত ১৫ টাকা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, মতিহার হল, শের-ই-বাংলা ফজলুল হক হল, মন্নুজান হল  পর্যন্ত ১০ টাকা। বাকি সকল ছাত্রী হল পর্যন্ত ১৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া  চারুকলা অনুষদ, কৃষি অনুষদ, বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বাজার ও বন্ধভূমি, পূর্বপাড়া ও পশ্চিমপাড়া আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ২০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

কাজলা গেট থেকে রিকশা ভাড়া:
কাজলা গেট থেকে মমতাজ উদ্দিন অ্যাকাডেমিক ভবন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ভবন, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি পর্যন্ত ১০ টাকা ভড়া নির্ধারিত হয়েছে ।
সত্যেন্দ্রনাথ বসু (১ম বিজ্ঞান), ড. মুহম্মদ খুদরাত-ই-খুদা (২য় বিজ্ঞান), স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু (৩য় বিজ্ঞান) ও ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া (৪র্থ বিজ্ঞান) অ্যাকাডেমিক ভবন পর্যন্ত ১৫ টাকা এবং চারুকলা অনুষদ ও কৃষি অনুষদ ভবন পর্যন্ত ২৫ টাকা। শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবন, শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী প্রশাসন ভবন, ব্যাংক ও বাসস্ট্যান্ড (পরিবহন চত্বর) পর্যন্ত ১০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। 
শেরে বাংলা ফজলুল হক হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও মতিহার হল পর্যন্ত ১৫ টাকা। নবাব আব্দুল লতিফ হল, সৈয়দ আমীর আলী হল, শাহ মখ্দুম হল ও মেডিকেল সেন্টার পর্যন্ত ২০ টাকা। পশ্চিমপাড়া আবাসিক এলাকায় ১০ টাকা ও পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 
শহীদ হবিবুর রহমান হল ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল পর্যন্ত ২০ টাকা। মাদার বখ্শ হল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, শহীদ শামসুজ্জোহা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেল স্টেশন পর্যন্ত ২৫ টাকা। মন্নুজান হল পর্যন্ত ১০ টাকা ও বাকি অন্যান্য মেয়েদের হল পর্যন্ত ১৫ টাকা এবং বধ্যভূমি পর্যন্ত ৩০ টাকা।
বিনোদপুর গেট থেকে রিকশা ভাড়া:
বিনোদপুর গেট থেকে সত্যেন্দ্রনাথ বসু অ্যাকাডেমিক ভবন (১ম বিজ্ঞান), ড. মুহম্মদ খুদরাত-ই-খুদা অ্যাকাডেমিক ভবন (২য় বিজ্ঞান), স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু অ্যাকাডেমিক ভবন (৩য় বিজ্ঞান) ও ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া (৪র্থ বিজ্ঞান) অ্যাকাডেমিক ভবন পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে। মমতাজ উদ্দিন অ্যাকাডেমিক ভবন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবন পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়া করা হয়েছে।
নবাব আব্দুল লতিফ হল, সৈয়দ আমীর আলী হল, শাহ মখ্দুম হল ও মেডিকেল সেন্টার পর্যন্ত ১০ টাকা। মাদার বখ্শ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, শহীদ শামসুজ্জোহা ও বিশ্ববিদ্যালয় রেল স্টেশন পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়া করা হয়েছে। এছাড়া শহীদ হবিবুর রহমান হল ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল পর্যন্ত ২০ টাকা। শেরে বাংলা ফজলুল হক হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও মতিহার হল পর্যন্ত ১০ টাকা। চারুকলা অনুষদ ও কৃষি অনুষদ ভবন পর্যন্ত ২০ টাকা। সকল ছাত্র হলে ২০ টাকা, পশ্চিমপাড়া আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ২৫ এবং পূর্বপাড়া আবাসিক এলাকা পর্যন্ত ১০ টাকা ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে।
পশ্চিম পাড়া থেকে:
পশ্চিম পাড়া থেকে সত্যেন্দ্রনাথ বসু (১ম বিজ্ঞান), ড. মুহম্মদ খুদরাত-ই-খুদা (২য় বিজ্ঞান), স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু (৩য় বিজ্ঞান) ও ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া (৪র্থ বিজ্ঞান) অ্যাকাডেমিক ভবন, চারুকলা অনুষদ ও কৃষি অনুষদ ভবন পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। ছাত্রী হল থেকে অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ভবন পর্যন্ত ১০ টাকা। ছাত্রী হল থেকে চারুকলা পর্যন্ত ২০ টাকা।
এদিকে শহীদ হবিবুর রহমান হল ও শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শেরে বাংলা ফজলুল হক হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও মতিহার হল পর্যন্ত ১০ টাকা। ছাত্র হল থেকে অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ভবন পর্যন্ত ১৫ টাকা ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে রিকশাচালক ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। রিকশাচালকদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পোশাকেরও ব্যবস্থা করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এড়াতে আমরা আরও কিছু পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করব।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com