1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কানাডার দাবানল নিয়ে ক্ষুব্ধ, নতুনভাবে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের রাজশাহী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও এলামনাই এ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ের উদ্বোধন নওগাঁর আত্রাইয়ে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ: কনের বাবার জরিমানা ও মুচলেকা কপোতাক্ষের তীরে মৃত্যুর ফাঁদ: কয়রায় ছাদ ধসে পড়ল কলেজের ভবনের, অলৌকিকভাবে রক্ষা ২৫০ শিক্ষার্থীর ঝালকাঠির রাজাপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি চিরিরবন্দরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুর মৃত্যু জনবান্ধব প্রশাসন, অপরাধ দমন, দ্রুত জনসেবা ও উন্নয়নে গৌরনদীবাসীর আস্থার নাম ইউএনও মো. ইব্রাহীম রাজশাহীতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও আমাদের দায়িত্ব” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে কৃষি কর্মকর্তা নিহত রাজশাহীর বাগমারা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদানের পর টানা ১০০ দিনে

শীত ও কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা

মোঃ জীবন ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে
টানা কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা আর তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত উত্তরের জেলা নীলফামারীর জনজীবন। এরই মধ্যে শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বোরো ধানের চারা। চারাগুলো ফ্যাকাশে লালচে হয়ে যাচ্ছে। ফলে নীলফামারীর কৃষকরা বোরো ধানের আবাদ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বোরোর বীজতলায় কোথাও হলুদ, কোথাও লালচে বর্ণ ধারণ করেছে। অনেক জায়গায় গাছ বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে।কৃষি বিভাগ বলছে, ছত্রাকনাশক স্প্রে করলে অনেকটাই কমে যাবে। এ ছাড়া তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আক্রান্ত বীজতলা সেরে উঠবে।
নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের কৃষক মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে আমার বোরো ধানের বীজের যে পাতা কালো ছিল। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে লালচে হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ধানের চারা বীজতলা থেকে তুলে জমিতে রোপণ করতে পারব কিনা সেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’একই ইউনিয়নের রামগঞ্জ এলাকার কৃষক সেরাজুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েকদিনের তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় বীজতলার অনেকাংশ নষ্টের পথে। বীজতলায় দেখা দিয়েছে কোল্ড ইনজুরি। চারাগুলো হলদে হয়ে গেছে। ওষুধ ছিটিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না।’পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উত্তরাশশী মিস্ত্রি পাড়ার কৃষক মোস্তাকিন আলী বলেন, ‘বোরো বীজতলার অর্ধেকই কুয়াশায় বিবর্ণ হয়ে গেছে। এখনো জমি আবাদ শুরু করতে পারিনি। ঘন কুয়াশায় আমার মতো অনেকের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ‘চলতি মৌসুমে জেলায় ৮১ হাজার ৭৪২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৯৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে।’নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. এস. এম. আবু বকর সাইফুল ইসলাম সময়ের কন্ঠস্বর’কে বলেন, ‘তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার কারণে কিছু কিছু বীজতলায় লালচে ভাব চলে এসেছিল। সরেজমিন বীজতলা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে আমাদের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ রোদ দেখা যাচ্ছে, যার কারনে ক্ষতির আশঙ্কা তেমন নেই। যেসব বীজতলায় লালচে ভাব এসেছিল সেগুলোয় সঠিকভাবে সার ও বালাইনাশক স্প্রে এবং জমে থাকা পানি বের করে দিতে হবে। তাহলে সেগুলো আবারো ঠিক হয়ে যাবে।’
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com