সরকার মনে হয় ঈশ্বর, তার কোনো সমালোচনা করা যাবে না। স্বাধীন রাষ্ট্রে সমালোচনা করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু এ সরকার ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে যেন মানুষের প্রতিবাদ করার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যায়। যাতে তাঁরা ভয়ের মধ্যে রেখে আরো ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি মুছে ধর্ষণ ও নিপীড়নবিরোধী গ্রাফিতি আঁকার জেরে ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বুদ্ধিজীবী চত্বরের সামনে ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক আয়োজিত এক মানববন্ধনে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক রাতুল এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরও বলেন, পুরাতন গ্রাফিক্স মুছে ফেলে নতুন গ্রাফিক্স এঁকে প্রতিবাদ গ্রাফিক্স তৈরি করা এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক্স সংস্কৃতি। যে মুজিব গ্রাফিক্স মুছে ফেলে নারী নির্যাতন গ্রাফিক্স দেওয়া হয়েছিল। সেই গ্রাফিক্সের মুজিব বর্ষের দুই বছর মেয়াদে শেষ হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রশাসন। যাদের সাথে সরকার দলীয়দের কোন সম্পর্ক ছিল না। তাঁরা সরকারের দালালি, তল্পিদার হিসাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়ন, নাগরিক ছাত্র ঐক্য, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, ছাত্র যুব আনদোলন, ছাত্র গণমঞ্চ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।