1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

সরিষাবাড়ীতে মুরাদ সমর্থকদের উপর নৌকার সমর্থকদের হামলায় আহত ১০ নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর

তৌহিদুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি জামালপুরঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারকে ঘিরে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সংঘাত-সংঘর্ষ থামছেই না। এসব ঘটনার বেশির ভাগই ঘটছে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে। স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা: মুরাদ হাসান (ঈগল প্রতিক) এর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর ও ১০ সমর্থককে আহত করেছে নৌকার প্রার্থী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান হেলালের সমর্থকরা ।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত ৮ টায় সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার তাড়িয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ৮:৩০ থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ১০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এর মধ্যে ৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম। আহতরা হলেন মাইজবাড়ী গ্রামের রইচ মন্ডলের ছেলে রুবেল (৩০),আলা উদ্দিনের ছেলে সাদ্দাম (৩২), রইচ উদ্দিনের ছেলে রোকন (২৮), সুরুজ্জামানের ছেলে কফিল সরকার (২৫), মরহুম শামছুল এর ছেলে দিলখুশ (৪০), তাড়িয়াপাড়া গ্রামের শাহীনের ছেলে হামজা(১৮), শিমলা পল্লী এলাকার আহমেদ আলীর ছেলে ফারুক (২৫), আব্দুল জলিলের ছেলে ফরহাদ (২২)।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, পৌরসভার শিমলাপল্লী গ্রামের তাড়িয়াপাড়া এলাকায় কয়েকদিন আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঈগল প্রতিক) ডা. মুরাদ হাসান একটি নির্বাচনী ক্যাম্প নির্মান করেন। সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে তার কর্মী-সমর্থকরা ওই নির্বাচনী ক্যাম্পে যাচ্ছিলেন। ওই ক্যাম্পের সামনে পৌঁছামাত্র আগে থেকে উতপেতে থাকা নৌকার প্রতিকের কর্মী সমর্থকরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। সংবাদ পেয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মুশফিকুর রহমান এর নেতৃত্বে পুলিশ গিয়ে উভয়পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে জামালপুর থেকে র‍্যাব ১৪ সদস্যরা এসে উভয় পক্ষকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেন। আহত দিলখুশ জানান, আমরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ করি। সরিষাবাড়ীতে আমরা রাজনীতি করি। আমরা যে যে জায়গায় যাইতেই পারি। আমরা নৌকার বিরুদ্ধে নয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে৷ জুব্বার কয়েলের ছেলে মান্নান টাকা খরচ কইরা একজন প্রার্থী হাত নিয়া আমাদের ওপর অন্যায় অত্যাচার করে আসছে। আমাকে আহত করেছে আমি শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই। আমি আওয়ামীলীগ কইরা দুইটা মাডার মামলা, অনেক গুলা মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে হয়রানী হয়েছিলাম। এই আওয়ামীলীগ কইরা আমি আমার বাপেরে মাটি দিতে পারিনি। আমরা অফিসে বসে ছিলাম নৌকার প্রার্থী হেলালের সমর্থকরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করেছে। আহত রুকন জানান, আমরা বসে নির্বাচনী অফিসে। এই সময়ে মান্নান ও কয়েকজন লোক গিয়ে পোলাপানদের জুতা দিয়া মারতেছিল। ওই টাইমে অফিস থেকে বাইরে বের হলে মান্নান সহ ২০/২৫ জন নৌকার সমর্থকরা এসে আমাদের নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুর ও আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা বিচার চাই।

এদিকে পৌর কাউন্সিলর সাখাওয়াতুল আলম মুকুল জানান, তাড়িয়াপাড়ায় ঈগল প্রতিকের নির্বাচনী অফিসে আমাদের লোকজন বসে ছিল। এ সময়ে নৌকা প্রতিকের লোকজন হামলা চালিয়ে নির্বাচনী অফিস ভাংচুর ও আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে পাশাপাশি চায়ের দোকানদারকেও মেরে আহত করেছে ।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এদিকে নৌকার প্রার্থী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান হেলালকে একাধিকবার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মুশফিকুর রহমান জানান, উভয় পক্ষ মারমুখী অবস্থায় হলে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com