1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

সাংবাদিককে হুমকির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রদানের পরও বহাল তবিয়তে এস আই অভিজিৎ পোদ্দার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাসিক অগ্নিবার্তা ম্যাগাজিনের সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন কে নানা রকম ভয়ভীতি সহ দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করার অভিযোগ উঠেছে ডিএমপির  যাত্রাবাড়ী থানার এস আই অভিজিৎ পোদ্দার এর বিরুদ্ধে। এস আই অভিজিৎ পোদ্দার কর্তৃক সাংবাদিককে হুমকি প্রদানের বিষয়ে গত ১৪/০৫/২০২৩ ইং তারিখ  মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন। কিন্তু অভিযোগ প্রদানের ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও  যাত্রাবাড়ী থানার এস আই অভিজিৎ পোদ্দার এখনো বহাল তবিয়তে কর্মরত রয়েছেন। এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে অদ্যাবদি আতংকের মধ্যে জীবন-যাপন করছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক কবির হোসেন খাঁন সহ স্থানীয় সাংবাদিকেরা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ কবির হোসেন খাঁন, পিতা- মোঃ আব্দুল মান্নান খাঁন মাসিক ম্যাগাজিন অগ্নিবার্তা পত্রিকাতে সংবাদকর্মী হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন যার বার্তা ও সম্পাদকীয় কার্যালয়- ৪৪ সালিমাবাদ ভবন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ( ২য় তলা), ঢাকা-১০০০। গত ৪ই এপ্রিল ২০২৩ ইং তারিখ একটি দৈনিক পত্রিকা যাহার নাম দৈনিক রূপবানী’ এর শেষের পাতায় যাত্রাবাড়ী থানার এস আই অভিজিৎ পোদ্দার ও এ এস আই মাসুদুল হক এর বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। যাহার বিষয়ে সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে গত ৫ই এপ্রিল ২০২৩ ইং তারিখ থানার অন্যান্য দারোগা মারফত উক্ত সংবাদ বিষয়ে অবগত হন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। উক্ত সংবাদের লেখক এবং দৈনিক রূপবানী পত্রিকার সংবাদ দাতা ভেবে গত ০৭/০৪/২০২৩ ইং তারিখ আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকার সময় প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ভুক্তভোগী সাংবাদিক  যাত্রাবাড়ী থানার ২য় তলায় অবস্থান করিলে, প্রকাশিত সংবাদের অভিযুক্ত এস আই অভিজিৎ পোদ্দার ভুক্তভোগী সাংবাদিককে দেখতে পান। দুপুর আনুমানিক ২:৩০ ঘটিকার সময় যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার করিডোরের সামনে হইতে এস আই অভিজিৎ পোদ্দার ভুক্তভোগী সাংবাদিককে উল্লেখিত সংবাদ নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন ৷ ভুক্তভোগী  সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন  এস আই অভিজিৎ পোদ্দার কে জানায় যে, তিনি দৈনিক রূপবানী পত্রিকার প্রতিনিধি নয় এবং উক্ত পত্রিকার সম্পাদক কেও চিনেন না, তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক অগ্নিবার্তা পত্রিকাতে দীর্ঘদিন যাবত সন্মানের সহিত কর্মরত আছেন এবং এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ কে বা কাহারা করেছে তা সম্মন্ধে ভুক্তভোগী সাংবাদিক অবগত নন। কিন্তু এস আই অভিজিৎ পোদ্দার ভুক্তভোগী সাংবাদিকের কথা না শুনিয়া উলটা তার উপর চড়াও হন, নিজের নেমপ্লেটের উপর আঙ্গুল দিয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিককে বলেন “আমি অভিজিৎ পোদ্দার নাম টা দেখে রাখো নিউজ করে কি করতে পারো দেখি, আর আমিও কি করতে পারি দেখি” এহেন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন। যাত্রাবাড়ী থানা এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের এহেন হুমকিতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক এবং তার সহকর্মীরা আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে। কখন যেনো বিনা কারনে ভুক্তভোগী সাংবাদিক এবং তার সহকর্মীদের আটক করে বিভিন্ন মামলা দিয়ে বিপদে ফেলতে পারে ।
অতঃপর উপরে উল্লেখিত অভিযোগ প্রদানের পর থেকে ভুক্তগভোগী সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন এবং তার সহকর্মীরা যাত্রাবাড়ী থানার এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের দেওয়ার হুমকির কারনে কোন এক অজানা আতংকের মধ্যে দিয়ে দিন পার করতে থাকে। এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের হুমকিতে নিজের এবং পরিবারের জানমালের নিরাপত্তার চিন্তায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক অসুস্থ হয়ে পরেন। মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদানের পর পুনরায় এস আই অভিজিৎ পোদ্দার বিভিন্ন মারফতে নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। যার ফলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ কবির হোসেন খাঁন আতংকে জীবন-যাপন করার এক পর্যায়ে গত  ০৭/০৫/২০২৩ ইং তারিখ মিনি স্টক করেন। অদ্যাবধি তার ব্যায় বহুল চিকিৎসা এবং ঔষধের মূল্য সহ পরিবারের নানাবিধ খরচ চালাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ ঋণ নিয়ে চলছিলো । কিন্ত এখন আর তার চিকিৎসা এবং পরিবারের খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা যায় ।

উল্লেখিত বিষয়টি আমলে নিয়ে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী থানার এস আই অভিজিৎ পোদ্দারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com