1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন রাবির ‘সি` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা; উপস্থিতি ৮২.১২ শতাংশ

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৩১৭ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিন দিনব্যাপী প্রথম দিনেই ‘সি` ইউনিটের পরীক্ষায় উপস্থিতি ৮২.১২ শতাংশ।
মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ দিন ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত গ্রুপ-১: বিজ্ঞান; বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত  গ্রুপ-২: বিজ্ঞান; দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত  গ্রুপ-৩: বিজ্ঞান; ও বিকেল ৩:৩০ মিনিট থেকে ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত  গ্রুপ-৪: বিজ্ঞান এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, ফিশারীজ ও ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদের ২৬টি বিভাগ এই ইউনিটভুক্ত। ইউনিটের চার গ্রæপের প্রতিটিতে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল প্রথম তিন  গ্রুপে ১৮ হাজার ৬৪৪ জন এবং চতুর্থ  গ্রুপে ১৮ হাজার ৬৪৫ জন মোট ৭৪,৫৭৭  জন। পরীক্ষাসমূহে উপস্থিতির শতকরা হার  গ্রুপ-১ এ ৮২.০৩,  গ্রুপ-২ এ ৮১.৯০,  গ্রুপ-৩ এ ৮২.০৭,  এবং গ্রুপ-৪ এ ৮২.৪৭ শতাংশ  । সি ইউনিটে উপস্থিতির গড় হার ৮২.১২ শতাংশ।
পরীক্ষা শুরুর পর সকাল ৯:৩০ মিনিটে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনের চত্বরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপাচার্য ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের অবহিত করেন। এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. অবায়দুর রহমান প্রমানিক, সি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক নাসিমা আখতারসহ ইউনিটভুক্ত অন্যান্য অনুষদের অধিকর্তা, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. তারিকুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আসাবুল হক, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডেসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ও পরীক্ষা কেন্দ্রে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে কয়েক স্তরের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে যেন কেউ কোনো গুজব ছড়াতে বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও গোয়েন্দা সংস্থা সক্রিয় রয়েছে।
প্রথম দিনের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করার জন্য উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ও নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে আগামীকাল বুধবার ‘এ’ ইউনিটের  গ্রুপ-১ (সকাল ৯টা থেকে ১০টা),  গ্রুপ-২ বেলা ১১টা থেকে ১২টা),  গ্রুপ-৩ (দুপুর ১টা থেকে ২টা) ও  গ্রুপ-৪ (বেলা ৩:৩০ মিনিট থেকে ৪:৩০ মিনিট) এর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com