1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

অবশেষে চালু হলো জামালপুর থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া ‘বিজয় এক্সপ্রেস’ ট্রেন

মোঃ রবিন আলী, বিশেষ প্রতিনিধি, জামালপুর ৫
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৪৯৪ বার পড়া হয়েছে

অবশেষে চালু হলো জামালপুরবাসীর বহু কাঙ্ক্ষিত ট্রেন জামালপুর থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া ‘বিজয় এক্সপ্রেস’ ট্রেন।শুক্রবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে জামালপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর এ ট্রেনটি।

জানা গেছে, বিজয় এক্সপ্রেস জামালপুর-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন। এর আগে এটি ময়মনসিংহবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রা শুরু করে। জামালপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনে রেল কর্তৃপক্ষ এ ট্রেনের রুট বর্ধিত করে জামালপুর-চট্টগ্রাম পর্যন্ত চালু করেছে।

৩৪০ কিলোমিটার দূরত্বের এ রুটে কয়েকটি শ্রেণিতে যথারীতি শোভন চেয়ার, এসি চেয়ার, এসি কেবিন ও নন এসি কেবিন সংবলিত ট্রেনের সর্বনিম্ন শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩০ টাকা এবং সর্বোচ্চ এসি কেবিনের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৭৮ টাকা। এ ট্রেনে জামালপুর থেকে ২১৭টি টিকিট বরাদ্দ রয়েছে।

প্রতিদিন রাত ৮টা ১০ মিনিটে জামালপুর রেলওয়ে জংশন থেকে ছেড়ে গিয়ে পিয়ারপুর, ময়মনসিংহ, গৌরীপুর, আঠারবাড়ি, কিশোরগঞ্জ, সরারচর, ভৈরব, আখাউড়া, কুমিল্লা, লাকসাম, ফেনী, ভাটিয়ারী যাত্রাবিরতি শেষে ভোর ৫টায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে জংশনে পৌঁছাবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে জামালপুরে পৌঁছার কথা রয়েছে। সপ্তাহে প্রতি মঙ্গলবার বাদে ৬ দিন নিয়মিতভাবে এ রুটে যাতায়াত করবে এ ট্রেন।

জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. উজ্জ্বল শেখ বলেন, চলতি মাসের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (এফ) (পূর্ব) কামাল আক্তার হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ওয়ার্কিং টাইম টেবিল-৫৩ আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়। সেখানে বিজয় এক্সপ্রেসের স্টার্টিং পয়েন্ট ময়মনসিংহের পরিবর্তে জামালপুর করা হয়েছে। বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচলের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ায় চালু হয়েছে।

জামালপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রিজের সহসভাপতি ইকরামুল হক নবীন বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জামালপুর জেলা। বিশেষ করে কৃষি শিল্প-বাণিজ্য, বিপণনসহ নানা ক্ষেত্রে দেশের অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হওয়ায় জামালপুর থেকে এখন দ্রুত সময়ে পণ্য আনা-নেয়ার পাশাপাশি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং ভোগান্তিও কমবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com