1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

বাদশা
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪
  • ৫০১ বার পড়া হয়েছে
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বরিশাল ও রংপুর বিভাগের সকল অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। শুধু তাই নয় অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করে আদালতে প্রতিবেদন ও দাখিল করতে নির্দেশ প্রদান করেন। হিউম্যান রাইট অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের একটি রিটের সম্পূ্রক শুনানি তে সোমবার (৪ মার্চ) বিচারপতি জে.বি.এম. হাসান এবং বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদেশে আদালত বরিশাল ও রংপুর বিভাগে গড়ে ওঠা অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বিবাদী রংপুর ও বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের চার সপ্তাহের সময় দিয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এ ছাড়া উক্ত ব্যবস্থা সম্পর্কে আদালতে প্রতিবেদন দখিলের জন্য ২৫ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করেছেন।
আদালতে হিউম্যান রাইট অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন মো. সারওয়ার আহাদ চৌধুরী এবং রিপন বাড়ৈ।
শুনানিতে এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়ে অবৈধ ভাবে ইটভাটা গুলো পরিচালিত হচ্ছে যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং প্রশাসন তাদের উচ্ছেদ করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আদালতে উক্ত অবৈধ ইটভাটাসমূহ বন্ধের নির্দেশনা প্রার্থনা করেন।
বাদী পক্ষে শুনানি কালে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল ও নাছরিন সুলতানা।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাইনুল ইসলাম (ডিএজি)।
উল্লেখ্য ২০২২ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সমগ্র বাংলাদেশের অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করার জন্য জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। আদালত রুল জারি করে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করতে সকল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশ প্রদান করেন।
এই নির্দেশনা মোতাবেক বরিশাল ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের প্রদানকৃত প্রতিবেদনে দেখা যায় বরিশাল বিভাগে ১২২টি ও রংপুর বিভাগে ৮০০ টি সর্বমোট ৯২২টি অবৈধ ইটভাটা এখনো সচল রয়েছে এবং বিভাগ দুটি সম্পূর্ণরূপে এসব অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ কারণেই‌ এইচআরপিবি’র পক্ষে এক সম্পূরক আবেদন দাখিল করে উক্ত অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের আবেদন করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এসব অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ করে ২৫ এপ্রিল আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ প্রদান করেন।’
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com