বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবাগত ইনচার্জ মোঃ আমিরুল ইসলামের ১৪ মার্চ (শুক্রবার) আয়োজনকৃত বি এন পির ইফতার পার্টিতে জাতীয় পার্টি ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের উপস্হিতি দেখে ইফতারের আয়োজনেকে ঘিরে বিএনপি দলের কতিপয় নেতা কর্মীদের মধ্য মিশ্র প্রতিকৃয়া ও ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ বিষয় জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল মালেক শিকদার জানায়, মোঃ নান্নু খান জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির সভাপতি ও গোলাম মোর্শেদ একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির নেতা সহ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা মোঃ কামরুলকে আইসির আমন্ত্রিত তদন্ত কেন্দ্রের ইফতার পার্টিতে উপস্থিত দেখে বিএনপির সাবেক সভাপতি আবদুল মালেক শিকদার ইফতার পার্টি থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও পরিবেশ গত দিক থেকে বেড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয় নাই বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এ সকল বিতর্কিত ভিন্ন দলের লোকজনের ইফতার পার্টিতে উপস্থিত দেখে তিনি সহ একাধিক বিএনপির নেতা কর্মিদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অপর দিকে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ ওয়াহিদুল আলম বিপলুর কাছে মোঃ নান্নু খাঁন ও গোলাম মোর্শেদের দলিও পোষ্ট পজিশন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইলে তিনি বলেন, নান্নু খাঁন জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির সভাপতি ও মোর্শেদ একই ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির সদস্য পদে আছেন বলে জানিয়েছেন সভাপতি বিপলু। এ সকল ভিন্ন মতালম্বি দলের বিতর্কিত লোকজনদেরকে ইফতার পার্টিতে উপস্হিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আগর পুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নবাগত ইনচার্জ মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, কে কোন দলের লোক আমার জানা নেই। অপর দিকে এ বিষয় বাবুগঞ্জ থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান কারা কারা ইফতার পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন আমার জানা নাই তবে বিষয়টি সম্পর্কে আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আমিরুল ইসলামের সাথে আলাপ করে এ বিষয় নিশ্চিত হবেন বলে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি। মোর্শেদ ও নান্নু সম্পর্কে একাধিক সুত্র জানায় নিজদের অপরাধকে আড়াল করতে ক্ষমতাশিল দলের লোকজনের ছত্র ছায়ায় থেকে বিগত দিনে তারা নানান অপরাধ মুলক কর্মকান্ড করে আসছিলেন । মোর্শেদ ২০১২ ইং বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের জাহাপুর থেকে বরিশাল র্্যাব – ৮ এর হাতে আগ্নেয় অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ দিন কারা ভোগ করে বের হয়ে দলিয় ছত্র ছায়ায় থেকে নানান অপরাধে লিপ্ত ছিলেন। গত এক মাস পুর্বেও সাংবাদিক হত্যা চেষ্টা মামলা থেকে জেল খেটে বের হন মোর্শেদ ও নান্নু জাবিনে আসেন। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও ভিন্ন দলের লোক হয়েও তারা আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রেে ইফতার পার্টটিতে উপস্থিত থাকায় স্হানীয়দের মাঝে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। বর্তমান সময় তাদের দলের ভরা ডুবি হলে নুতন করে অপরাধকে আড়াল করতে বিএনপিতে যোগদানের জন্য বিএনপির দলিয় কতিপয় অসদ লোকদের পিছু ঘুর ঘুর করছেন তারা। এ নিয়ে দলের কতিপয় লোকজন ছারাও স্হানিয় সচেতন মহলের ভিতর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখাগেছে।