1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট পিরোজপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত খামারকান্দিতে খাল খনন প্রকল্প পরিদর্শনে বগুড়ার জেলা প্রশাসক উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় সভা এলজিইডি কর্মকর্তাকে মারধর: বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে জিডি ‘গুম নাটকের’ সমন্বয়ক বেল্লালের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ ফিফা সভাপতি ও রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ নিয়ে থানায় নোয়াখালীর তরুণ পাহাড় ধস ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের পুনর্বাসনে বাড়ি দেবে সরকার ফেনীতে শহীদ শ্রাবণের কবর জিয়ারত করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি ইরাকে অতিরিক্ত জনসমাগমে পিছিয়ে গেল খামেনির দাফন

আমাদের দৈনন্দিন ভাত খাওয়া নিয়ে জরুরী হেলথ টিপস

Md Necar Uddin
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে
ভাত নিয়ে আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভয় হলো, এটা খেলেই ডায়াবেটিস বাড়ে, ওজন বাড়ে, আর হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। এই ভয়টা পুরোপুরি অমূলক না হলেও গবেষণা বলছে, সমস্যাটা ভাত নয়, সমস্যা হচ্ছে কীভাবে এবং কতটা ভাত খাওয়া হচ্ছে। ভুল নিয়মে খেলে ভাত সত্যিই ক্ষতি করতে পারে, কিন্তু সঠিক নিয়মে খেলে ভাত শরীরের জন্য সহায়কও হতে পারে। এখানেই বিষয়টা জানাটা সবচেয়ে জরুরি।
ভয়ংকর সত্য হলো, একসাথে বেশি ভাত খেলে রক্তে সুগার দ্রুত বেড়ে যায়, যাকে গ্লাইসেমিক স্পাইক বলা হয়। এই স্পাইক দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ভাতের পরিমাণ কমিয়ে ভাগ করে খেলে এই ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই একবেলা পেটভরে ভাত খাওয়ার বদলে ছোট পরিমাণে খাওয়াই শরীরের জন্য নিরাপদ।
ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে ভাত খাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ঠান্ডা করা বা একেবারে গরম না খাওয়া ভাত। রান্নার পর ভাত কিছুক্ষণ ঠান্ডা হলে এতে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ তৈরি হয়, যা রক্তে সুগার ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের স্টার্চ অন্ত্রের জন্যও উপকারী। এর ফলে ইনসুলিনের ওপর চাপ কম পড়ে এবং হৃদযন্ত্রের ঝুঁকিও তুলনামূলকভাবে কমে।
রক্তস্বল্পতা ও হাড়-জয়েন্ট পেশীর ব্যথার ক্ষেত্রেও ভাত পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই। ভাতের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, মাছ বা ডিম যুক্ত করলে আয়রন ও প্রোটিনের শোষণ ভালো হয়। বিশেষ করে ভাতের সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সবজি থাকলে আয়রন শরীরে বেশি কাজে লাগে। এতে দুর্বলতা, পেশীর ব্যথা ও হাড়ের ক্লান্তি ধীরে ধীরে কমতে সহায়ক হয়।
মেদ-চর্বি কমানোর ক্ষেত্রেও ভাতের ভূমিকা আছে, যদি নিয়মটা ঠিক থাকে। গবেষণা বলছে, ভাত খাওয়ার সময় প্লেটের অর্ধেক যদি শাকসবজি থাকে এবং ভাতের পরিমাণ সীমিত রাখা যায়, তাহলে ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এতে পেট ভরে থাকে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। ফলে ধীরে ধীরে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমার পরিবেশ তৈরি হয়।
সবশেষে মনে রাখতে হবে, ভাত কোনো রোগের অলৌকিক ওষুধ নয়, আবার একেবারে শত্রুও নয়। সময়, পরিমাণ এবং খাবারের সমন্বয় ঠিক থাকলে ভাত সুস্থ খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। নিয়মিত হাঁটা, পর্যাপ্ত পানি ও ভালো ঘুমের সঙ্গে এই নিয়ম মানলে ভাত শরীরের জন্য ভার নয়, বরং ভারসাম্য তৈরি করতে সাহায্য করে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com