ঈশ্বরদী প্রান আরএফএল কোম্পানির দাশুড়িয়া ও বড়ইচরার শাখাতে চলছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। পবিত্র রমজান মাসে দেওয়া হচ্ছে না নামাজের কোন বিরতি।শ্রম আইনে যেখানে কর্মঘণ্টা আট ঘন্টা নির্ধারণ এবং অতিরিক্ত সময় অর্থাৎ ওভার টাইমের জন্য ডাবল মজুরির কথা এবং সপ্তাহে একদিন ছুটির কথা উল্লেখ থাকলেও ।সে আইনের তোয়াক্কা না করে এই কোম্পানীর কর্মচারীদের বারো ঘন্টা পরিশ্রম করিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং ইফতার দেওয়া হচ্ছে একেবারে নিম্নমানের । সারাদিন পরিশ্রম শেষে ইফতারে দেওয়া হয় একটু মুড়ি,সামান্য পরিমাণ ছুলা,একটি চপ আর একটি কলা।থাকেনা কোন শরবতের ব্যবস্হা।দেওয়া হয় না বিশুদ্ধ কোন খাবার পানি।এজন্য মাঝে মাঝে শ্রমিকদের অসুস্থ হতেও দেখা যায়।বর্তমান দুর্মুল্যের এই বাজারে গাধার মত খাটুনি খাটিয়ে তাদের বেতন দেওয়া হয় মাত্র সাত হাজার একশ টাকা।পবিত্র শবেবরাতে সব কর্মস্থল ছুটি থাকলেও এই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের নামাজের ছুটিও দেওয়া হয় নি।এ বিষয়ে বড়ইচড়া কোম্পানীর মাহফুজা খাতুন নামে এক কর্মচারী বলেন আমি প্রায় ১২ বছর এই কোম্পানিতে চাকরি করেছি।প্রতিদিন নিয়মিত ১২ ঘন্টা ডিউটি করতে হয়। সপ্তাহে কোন ছুটি থাকেনা।মেয়েদের নাইট ডিউটি করতে হয়।কিন্তু বেতনের কোন উন্নতি নেই। এই সামান্য বেতনে এখানে চাকরি করে জীবন চলানো দুরহ ব্যাপার। তাই আমি চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।দাশুড়িয়া প্রান আরএফএল কোম্পানির এই শাখার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী বলেন সারাদিন কাজ শেষে আমাদের নামমাত্র শুধু ইফতার দেয়।যেটা একটা শ্রমিকের জন্য খুবই নগন্য।ইফতারে কোন শরবত ও একটু ঠান্ডা পানির ব্যবস্হাও থাকেনা।এবং নামাজের জন্য ও দেওয়া হয় না কোন বিরতি।এ বিষয়ে প্রান আরএফএল ঈশ্বরদী শাখার প্রধান হিসাব রক্ষক বলেন আমরা শবেবরাতে ছুটি না দিলেও নামাজের ব্যবস্হা আছে।আর আমাদের কাজের চাপ বেশি তাই আমাদের ওভার টাইম সহ ১২ ঘন্টা কাজ বাধ্যতামুলক তাছাড়া ইফতারের যে অভিযোগ দিয়েছে কর্মচারীরা। আমরা কিন্তু কর্মকর্তা সহ কর্মচারী সবাই একই ইফতার করি।আর ইফতারে মানটা উন্নত করার জন্য আলোচনা করে সিধান্ত নেব।