1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

একজন দক্ষ ও জনবান্ধব সরকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের এডিসি শফিকুল ইসলাম

Arif Robbani
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ৯৯৬ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইল  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সৎ সাহসীবান দায়িত্বশীল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পদে দক্ষতা ও সনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায় তিনি টাঙ্গাইল  জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব হিসেবে সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে তার উর্ধতন কর্মকর্তাদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।
এমন একজন জনবান্ধব ও মেধাবী কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় জনগন আনন্দিত হয়। কেননা এই সৎ সাহসী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম দায়িত্ব পালনকালে তার নজরে আসা ঘটে যাওয়া ঘটনা তাৎক্ষনিক আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেন।এছাড়া জেলা প্রশাসনের যে কোন সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে নিয়ে কাজ করেন।অফিস সময়ের বাহিরেও তিনি জনগনের কাংখিত সেবা নিশ্চিত করতে দিন রাত এক করে ঘাম ঝরা পরিশ্রম করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন টাঙ্গাইল  জেলা প্রশাসকের সুনাম।কখনো তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন হিসেবেও দেখা যায় সেখানেও তিনি থেমে থাকেন না,  রাজস্ব খাতকে বৃদ্ধি করতে তার নিয়মিত পরিদর্শন সহ কাজের অগ্রগতি দেখার মত।
সুশাসন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধ টাঙ্গাইল জেলা গড়তে ডিসির নেতৃত্বে ও দিকনির্দেশনায় রাজস্ব আদায়ে মাইলফলক তৈরী করছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। টাঙ্গাইল জেলাকে একটি উন্নয়নশীল স্মার্ট নগরে রূপান্তরিত করতে ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। একই সাথে জেলা প্রশাসনকে দুর্নীতি মুক্ত, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে নিরলস ভূমিকা রয়েছে তার। তিনি টাঙ্গাইলে যোগদানের পর থেকেই জেলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের প্রতিটি উদ্যোগকে নিজের কাঁধে নিয়ে ঘুষ, মাদক ও দুর্নীতি ভেজাল বিরোধী ও সরকারী সম্পদ আত্মসাৎ কারী,এবং ভূমি দস্যুদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছেন তিনি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, সরকারের দেওয়া দায়িত্বের প্রতি আমার দুর্বলতা রয়েছে। আমার ইচ্ছা জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলা। সরকারের দেয়া নির্দেশনা গুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে চলেছেন টাঙ্গাইলের জনবান্ধব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম । যেকোন পরিস্থিতিতে দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করাই যেন তার শিক্ষা।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আরো বলেন, আমার ওপর অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ আমি সততা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাচ্ছি। হতদরিদ্র, অসচ্ছল, অসহায় মানুষের জন্য সরকারের সকল সেবা যথাযথভাবে স্বচ্ছতা সাথে দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনায় সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর রাজস্ব আদায়ে যাতে কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক স্যারের নেতৃত্বে আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত টাঙ্গাইল গড়তে চাই; এতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।” তিনি আশা করছেন, একদিন টাঙ্গাইল জেলা হবে সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রার রোল মডেল । এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে ভেজাল বিরোধী অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোট পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
 টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের মাঝে আলোচনা চলছে এডিসি শফিকুল ইসলাম  তার দায়িত্ব পালনে খুবই আন্তরিক। তিনি জনগণের সাথে মানবিক আচরণ করেন। বর্তমান জেলা প্রশাসক  মহোদয়  তার সু-যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হিসেবে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কে দায়িত্ব প্রদান করায় জনগন তার ভূয়সী প্রশংসা করছেন। এডিসি রাজস্ব শফিকুল ইসলাম তার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সেবার মান আরো এগিয়ে নিবেন এমনটাই  প্রত্যাশা টাঙ্গাইলের জনগনের।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com