জাতি গড়ার কারিগর আজ ঢাকার রাজপথে।শিক্ষক আজ বাংলাদেশে সম্মানের পাত্র সেখানে ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার শিক্ষককে নিয়ে বিশ্বের মধ্যে কলংকময় অধ্যায় সৃষ্টি করেছিলেন।পেটে ক্ষুধা থাকলে সেই বোঝে ক্ষুধার কি জ্বালা।২০-২৫ বছর ধরে বিনা বেতনে জীবন অতিবাহিত করা শুধুমাত্র শিক্ষকের দ্বারা সম্ভব হয়েছে।শিক্ষক এমন এক জাতি যারা অনেক কিছু মেনে নিতে পারে।একজন চাকুরীজীবি একজন শিক্ষকের হাতে গড়া আর সেই শিক্ষক ঐ ছাত্র দ্বারাই নির্যাতিত।নন এমপিও শিক্ষকগণ বলেন,হাইরে আমার সোনার বাংলাদেশ। যার হাত ধরেই আপনি শিক্ষিত তাকেই আপনি প্রিপার স্প্রে করছেন। পাবনার শিক্ষক আপনাদের কি ক্ষতি করেছিলেন তাকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকারের পেটুয়া বাহিনী ও নামধারী পুলিশ দ্বারা নন এমপিও শিক্ষকদের নির্যাতিত করলেন অতপর পাবনার ভাইটা মূত্যু কোলে ঢলে পড়লেন কিন্তু ফ্যাসিবাদী সরকারের কেউ একফোটা চোখের পানি ও ফেলেন নি।শিক্ষককে লাঞ্চিত করে হাসিনা সরকার কি লাভ করলেন আল্লাহর রহমত সেই সরকারকে শিক্ষক অপমানের কারনে হয়তবা আল্লাাহর লানদ এর কারনে দেশ কে ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।আন্দোলনরত শিক্ষকগণ বলেন হয়তবা আমাদের প্রানপ্রিয় ভাইকে আল্লাহ জান্নাতের উচ্চ স্থান দান করুন সেই ভাইয়ের পরিবারের মনের কষ্ট ফ্যাসিবাদী হাসিনাকে অপমানিত করেছেন। এখন আমাদের সর্বসম্মতিক্রমে একটায় চাওয়া প্রধান উপদেষ্টা সহ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাথে যুক্ত স্যাররা যেন দেশের সকল স্বীকৃতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক/কর্মচারী গনকে একযোগে ঘোষণা দিবেন।আমরা অনেক কষ্ট করে জীবন অতিবাহিত করেছি আর আমরা সংসার চালাতে পারছি না।আমরা নন এমপিও শিক্ষকবৃন্দ তো আপনাদের কাছে অন্যায় আবদার করিনি।শুধু আমাদের প্রাপ্যতা চেয়েছি।বিশেষভাবে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় একজন উচু মন-মানসিকতার মানুষ বিশ্বে যাকে এক নামেই চেনে আপনি আমাদের বিষয়টি উপলব্ধি করে সমাধান করবেন।ক্লান্ত মন মানসিকতা নিয়ে ক্লাসে ক্লাস করতে গেলে মনে পড়ে ছেলেমেয়েদের মলিন মুখের কথা।