কিশোরগঞ্জ জেলায় স্বাস্থ্যসেবক চরম অবনতি, হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ।
সর্বপ্রথম না হয় তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ওখান থেকে রেফার করা হয় সদর, সদর থেকে রেফার করা হয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ। সর্বশেষ তারা যখন ব্যর্থ হয় উপায় অন্তর না দেখে।
কিশোরগঞ্জের সদর খরমপট্টি, ফাতেমা রা: মা ও শিশু স্পেশালিস্ট হসপিটালে নেওয়া হয়। সিজারের কথা বলা হলে।
অবশেষে প্রাইভেট এ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সিজারের জন্য ১১৫০০ টাকায় কন্টাকে, অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার আগেই নরমালে বাচ্চা ডেলিভারি হয়ে যায়।
ঔষধপত্র যা কেনার সবকিছু বাচ্চার বাবা বাহির থেকে কিনে দেয়।
তারপরেও কোটিপতি বাবদ ১৯০০ টাকা বিল করা হয় । যে ওষুধগুলো কিনা হয়েছিল সেই ওষুধগুলো বিল আবার করা হয়।
এবং কর্তৃপক্ষের সাথে আমি নিজে কথা বললে জানা যায় তারা বলে এভাবে আমাদের বিল করা হয়।
অত্যন্ত গরম সুরে, তারপর অনেক রিকুয়েস্টে ৬০০০ টাকা সমাধান করা হয়।
এ দিনের আরো নরমাল ডেলিভারি বিল সেম একই রকমের করা হয়।
শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে এবং নরমাল ডেলিভারি হবে এই আশা দেখিয়ে মানুষকে এভাবে প্রতিনিয়ত অধিক পরিমাণ বিল নিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
পূর্বেও এই হাসপাতালে বিরুদ্ধে এরকম হয়রানি, ও রোগী মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জের একজন স্থানীয় নাগরিক জানাই, ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে তারা কসাইখানা বানিয়ে রেখেছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা থেকে এখানে এসে তাদের হাতে জিম্মি হয়ে যায়।
প্রতিবাদ করলে তাদেরকে হুমকি ধামকি দেওয়া হয়।
বিলে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অপারেশন থিয়েটারের চার্জ নিয়েছে ২০০০ টাকা। অথচ নরমাল ডেলিভারি হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাধারণ রোগীরা অভিযোগ করে বলে এ হাসপাতাল এড়িয়ে চলাই ভালো।