উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রামে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। আজ সকালে কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে প্রায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে জেলার বিভিন্ন এলাকা। সূর্যের দেখা মিলছে দেরিতে, ফলে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে। শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন। অনেকেই শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে বা পুরনো শীতবস্ত্র গায়ে দিয়ে কাজ করছেন।
এদিকে কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারীসহ বিভিন্ন উপজেলায় শীতের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সকালে স্কুলগামী শিশু ও বয়স্ক মানুষজন শীতজনিত সমস্যায় পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দার মোঃ আলতাব হোসেন দৈনিক দেশ বুলেটিন কে জানান। শীতের কারণে জেলায় অনেক ধরনের শীর্জনিত রোগ বালাই শুরু হয়েছে। এবং তার অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে প্রভাব ফেলছে হাঁচি-কাশি সর্দি জ্বর মাথা ব্যাথা সহ নানান ধরনের রোগের। এবং অনেক সমস্যায় ভুগছেন তারা।
কয়েকজন মিলে আগুন লাগিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা ।ছবি :দেশ বুলেটিন
জেলায় অতিরিক্ত শীত জনিত বিষয়ে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান তাপমাত্রা বোরো বীজতলা ও শীতকালীন ফসলের জন্য কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আরও কমলে কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন উত্তরাঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শীত বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।