1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ফায়ার সার্ভিস না থাকায় প্রতিদিনই পুড়ছে মানুষের স্বপ্ন

মোঃ শাহীনূর ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ একটি বৃহৎ উপজেলা কুষ্টিয়া দৌলতপুর। ভারতের সীমান্তবর্তী এ উপজেলাটি ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে এটি গঠিত। এখানে রয়েছে ভারতের সাথে বাংলাদেশের প্রায়৪৭ কিলোমিটার সীমান্ত।১৯৮৩ সালে ৪৬১ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সীমান্তবর্তী এই দৌলতপুর থানা কে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বর্তমান বহৎ উপজেলাটিতে প্রায় ৮ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। অত্যন্ত ঘনবসতির এই উপজেলাটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি মিল কারখানা। যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের। উপজেলাটিতে সাধারণ মানুষের  বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ মিলকারখানা গুলোতে মাঝে মধ্যে ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। আর এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষসহ ব্যবসায়ীদের জান মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এক নিমিষেই পুড়ে শেষ হয়ে যায় মানুষের স্বপ্ন। এসব অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনা স্থলে আসতে আসতে সব কিছু পুড়ে শেষ হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৩ বছর আগে। পরিবর্তন হয়েছে অনেক সরকার। কিন্তু দুঃখজনক  হলেও সত্য আজ বৃহৎ এ উপজেলাটিতে নির্মিত হয়নি ফায়ার সার্ভিস। এত বছর ফায়ার সার্ভিস নির্মিত না হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে জায়গা জমি নির্ধারণ না হওয়া। অবশেষে গত বছর জমির জটিলতার ও অবসান ঘটে। গত ২০২২ সালে উপজেলার দৌলতপুর সদর ইউনিয়নের চুয়ামেলিক পাড়া গ্রামের মৃত আবুল খায়ের সাদ উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা  বানু তার বসতবাড়ির ৮২ শতক জায়গা ফায়ার সার্ভিসকে দান করেছেন। জমিদাতা এই নিঃসন্তান হাসিনা বানুর দাবি, তার মৃত্যুর আগে যেন তার  বসত ভিটাতে নির্মিত হয় ফায়ার সার্ভিস। হছিনা বানুর পাশাপাশি ফায়ার স্টেশনটি বাস্তবায়নে জোর দাবি জানিয়েছেন উপজেলাটির বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ জানান, ফায়ার সার্ভিস নির্মাণ করার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যেকোনো সময় দৃশ্যমান হবে অবকাঠামো। কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের অ্যাসিস্টান্ট ডাইরেক্টর জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন দৌলতপুর ফায়ার স্টেশনের জন্য অলরেডি জনবল ও নিয়োগ দেয়া আছে। বর্তমানে এটি সরকারের দুই নম্বর প্রকল্পে আছে একজনকে পাশ হলে অবকাঠামো দৃশ্যমান হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com