নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় আলোচিত নূরুল আমিন ওরফে নূরু নিখোঁজের ঘটনায় হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলার অন্যতম গ্রেফতারকৃত আসামি রবিকুলের তথ্য অনুযায়ী (২ জুন ২০২৫) পুকুরে দিনভর খুঁজে কিছু আলামত পেলেও লাশ উদ্ধার করতে পারে নি পুলিশ ও ডুবরী দল । এরপরই অনুমতি ছাড়া পুকুরের পানি সেচ বা নিষ্কাশনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিজ্ঞ আদালত ।
কিন্তু বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) সকালে মাছ স্থানান্তরের কথা বলে পুকুরের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে অভিযুক্ত ও ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার বাচ্চু ।
রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের চান্দের কুড়ি হাওরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেচ বা নিষ্কাশনের কাজ বন্ধ থাকলেও পুকুরের প্রায় অর্ধেক পানি ইতোমধ্যেই কমিয়ে/সরিয়ে ফেলা হয়েছে ।
নূরুল আমিন ওরফে নূরুর পরিবারের দাবি পুকুরের পানি সেচ বা নিষ্কাশনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মহামান্য আদালতের । তবুও কিভাবে পানি নিষ্কাশন করে ফেলে ? সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি আমরা ৷
অভিযুক্ত ও ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার বাচ্চু বলেন, আমি পুকুর থেকে মাছ স্থানান্তর করছি । পুকুরে পানি বেশি থাকায় পাইপের মাধ্যমে কিছুটা পানি কমিয়েছি । পরে বাধা আসায় বন্ধও করে দিয়েছি ।
এ বিষয়ে মামলার (২য়) তদন্ত অফিসার ডিবির এইআই অপু মুঠোফোনে বলেন, কোর্টের আদেশ অমান্য করে পুকুরের পানি সরাতে পারবে না কেউ । তবে মাছ স্থানান্তর করতে পারে ।
উল্লেখ্য ২০২৫ সালের ২১ মার্চ নিখোঁজ নূরুল আমিন ওরফে নূরুর স্ত্রী ডেইজি আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫ জনসহ ৮ জনের নামোল্লেখ করে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন কেন্দুয়া থানায় । এর আগে একই বছরের ১৭ মার্চ গভীর রাতে নুরু নিখোঁজের ঘটনায় ১৮ মার্চ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয় উক্ত ঘটনায় ।