1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিতৃপরিচয়হীন ও প্রান্তিক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সহজ করল সরকার: ফরিদপুরে কর্মশালা পুলিশ সুপার নওগাঁর কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান ০৪ জন গ্রেফতার বকশীগঞ্জে সোলার প্যানেলের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত! নলডাঙ্গায় নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাগুরার জয় চৌধুরী, বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ৫ ডাকাত গ্রেফতার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার পতাকায় কলেমা লেখা নিয়ে মিছিল কলেমার শিক্ষা নয়, এটা কলেমাকে অপমান করা । -আল্লামা ইমাম হায়াত জুলাইয়ে দল-মত ভুলে মানুষ রাস্তায় নামে, তাদের সম্মান করতে হবে নিশ্চিত হলো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো, জার্মানিসহ একাধিক জায়ান্টের বিদায় ‘অ্যান্টি টেররিজম’ ও ‘কাউন্টার টেররিজমের’ হচ্ছে নতুন নাম, বাড়ছে দায়িত্ব

গবেষণার কাজে সীতাকুণ্ডে রাবির একদল তরুণ জিওলজিস্ট

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
বিষয়ভিত্তিক ফিল্ড রিপোর্ট তৈরি করার জন্য চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থান করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের একদল মেধাবী শিক্ষার্থীরা। ১১ ফেব্রুয়ারি তাদের এ রিপোর্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বিভাগের ৪৬ জন শিক্ষার্থী, ২ জন শিক্ষক ও একজন ফিল্ড অফিসারসহ মোট ৪৯ জন এসেছেন এ রিপোর্ট তৈরির কাজে। দুই শিক্ষক হলেন ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড.এ.এইচ. এম. সেলিম রেজা এবং অধ্যাপক ড.মো. আব্দুর রহমান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে, দুই শিক্ষকই ফ্রেন্ডলি, হেল্পফুল এবং পরিশ্রমী। শিক্ষার্থীদের সার্বিক কাজে সহায়তা করছেন তাঁরা।
ফিল্ড রিপোর্ট সম্পর্কে অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম সেলিম রেজা বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিবছরই ফিল্ড রিপোর্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন জায়গায় যাই। এ বছর আমরা ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডতে এসেছি। এটা সাধারণত পাহাড়ি এলাকা এলাকা নামে পরিচিত। এখানে বিভিন্ন ধরনের জিওলজিকাল স্ট্রাকচার রয়েছে। আমি আশা করি শিক্ষার্থীদের গবেষণার কাজে এটা খুবই উপকারী হবে।
৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস। কিন্তু আমার শিক্ষার্থীদের সব ভালোবাসা জিওলজি নিয়ে। কারণ এই দিবস উপলক্ষ্যেও শিক্ষার্থীরা জিওলজি ছাড়া অন্য কিছুর প্রতি কোনো আবেগ প্রকাশ করছে না। তাদের সব আনন্দ-উচ্ছ্বাস শুধু জিওলজি নিয়ে।
বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান বলেন, এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে হয়তো পুরাটা কারো পক্ষে জানা এবং বোঝা সম্ভব না, কিন্তু জিওলজির মাধ্যমে আপনি একটু হলেও সেটা পারবেন। জিওলজি হলো বাস্তবিক জ্ঞান-ভিত্তিক সমৃদ্ধ একটা সাবজেক্ট। আপনি যখন জিওলজিক্যাল বিষয়গুলো স্বচক্ষে দেখবেন, সেগুলো নিয়ে নিজে কাজ করবেন তখনই আপনার জিওলজিক্যাল জ্ঞান আরো বেশি পরিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধশীল হয়ে উঠবে। ঠিক তখনই আপনি জিওলজির পুরা মজাটা পেয়ে যাবেন। যেটা আমরা এখন অনুভব করছি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমরা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডতে অবস্থান করছি এবং বিভিন্ন জিওলজিকাল ফিচার দেখছি। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা দুর্গম পথে চলে নানা জিওলজিক্যাল ফিচার মরফোলজি দেখছি, যেটা আসলেই অনেক সুন্দর এবং চমকপ্রদ। দিনগুলো জীবনের খাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী রিসার্চ চাকমা বলেন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছে ফিল্ড মানে হল আমরা যে থিওরি পড়াশোনা করি তা বাস্তবে দেখার জন্য। আমাদের পড়াশোনার সাথে বাস্তবের অস্তিত্বের সামঞ্জস্য আছে কি না তা প্রমাণ করার জন্যই আমরা ভূতাত্ত্বিক ফিল্ড করি। আমাদের ফিল্ডের জন্য চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা সত্যিই একটি দর্শনীয় স্থান। তাই এখানে এসে আমার খুবই ভালো লাগছে।
তিনি আরও বলেন, এখানে আসার পরে আমরা বিভিন্ন ধরনের জিওলজিক্যাল স্ট্রাকচার পেয়েছি। বিভিন্ন ধরনের গাছপালা, সহস্র-ধারা ঝরনা ও পাহাড় দেখা ছিল নিতান্তই চোখের শান্তি। এছাড়া  ঘন্টার পর ঘন্টা পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটা ছিল এক অন্য রকমের অনুভূতি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com