1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরের ৭ গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় পাচারের সময় ভিজিএফের চাল জব্দ সীমান্ত যুব উন্নয়ন সংঘ (SZUS) পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন নাগেশ্বরীতে ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন কুরআনের শাসন ব্যতীত জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়- এড. আব্দুল আওয়াল জামালপুরে সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থা’র পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাঠালিয়ায় প্রেসক্লাবের আয়োজনে অসহায়দের মাঝে শিল্পপতি আরিফ হোসেনের ঈদ উপহার বিতরণ পটুয়াখালী ২২ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ করছেন ঈদুল ফিতর আসন্ন ঈদ উপলক্ষে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ করল ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের প্রতিবন্ধীদেরকে ঈদ সামগ্রী প্রদান

গোপালগঞ্জে যাদুর বই কিনতে বাধ্য করেছেন এস এম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের।

শেখ ফরিদ আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোপালগঞ্জ এস এম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্য পুস্তক ব্যাতিরেকে যাদুবিদ্যা (ম্যাজিক) শিক্ষার বই ক্রয়ে বাধ্য করেছেন প্রধান শিক্ষক মাহাবুব মুন্সি। জানা গেছে ভারতীয় এক নাগরিক যাদু প্রদর্শন করেন ছাত্র-ছাত্রীদের অ্যাসেম্বলি অনুষ্ঠানে শিক্ষক মন্ডলীদের উপস্থিতিতেই এবং যাদু শিক্ষা বই কিনতে প্রলুব্ধ করেন । শ্রেণী শিক্ষকগণ শ্রেণী কক্ষে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট থেকে ৪০ টাকা অগ্রিম বইয়ের টাকা জমা নিলেও অনেকেই এখনো তাদের যাদুর বই পাননি এবং বইটি পাওয়ার আশায় গত সপ্তাহ হতে ঘুরছেন বলে ছাত্র-ছাত্রীরা ও তাদের অভিভাবকরা জানান। জানা যায় যে প্রধান শিক্ষক মাহাবুব মুন্সি ও তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার লীরা  একই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন এবং তাহাদের পরিচালনায় একটি কোচিং সেন্টার রাইজ এডুকেশন কেয়ার শহরের  চাঁদমারি এলাকায় চালু আছে যা দিনে চারটি শিপ্টে পরিচালন হয় । ছাত্র-ছাত্রীদের এই কোচিং সেন্টার ফি ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা নেয়া হয় এবং কোচিং নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা পরীক্ষা ফলাফলে অনৈতিকতা প্রদর্শিত হয়। সংক্ষুব্ধ ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের অসহায়ত্ব ও সন্তানদের জিম্মির কথা ব্যক্ত করতে অভিভাবকগন তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত অনৈতিক আচরণে ভীত সন্ত্রস্তার কারনে নিজ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। আবার অনেকেই শিক্ষাঙ্গনে এই পরিস্থিতিতে নিজের সন্তানটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেন । তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য এ্যাডভোকেট মোঃ বাশার হোসেন জানান যে লীরা মাহাবুবের বাধ্যতামূলক কোচিং ভর্তি বাণিজ্য থেকে অব্যাহতির জন্য বাধ্য হয়ে আমার সন্তানকে অনির্বাণ স্কুলে ভর্তি করি । এই সকল অভিযোগ প্রধান শিক্ষক মাহাবুব মুন্সি এই প্রতিবেদকের সাক্ষাৎকারে অস্বীকার করে বলেন আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com