1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

চৌগাছায় বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি বাজার উদ্বোধন

মেহেদী হাসান শিপলু
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছায় বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি বাজারের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ফিতা কেটে উপজেলা পরিষদ চত্তরে নিরাপদ সবজি বাজারের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ড. এম মোস্তানিছুর রহমান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুস্মিতা সাহা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) গুঞ্জন বিশ্বাস, থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বির হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান নূরুল কদর ও আব্দুল হামিদ মল্লিক, প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক শাহানুর আলম উজ্জ্বল, রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম হাসান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ফারুক আহম্মদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট চৌগাছা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান প্রমূখ।

নিরাপদ সবজি বাজারে আগত হিজলী গ্রামের কৃষক জুলফিকার হায়দার, হুদা চৌগাছার কৃষক জিয়ারুল ইসলাম, মাড়ুয়ার কৃষাণী রেবেকা খাতুন, মুক্তদাহ গ্রামের কৃষক রাজিব হোসেন, নগরবর্ণীর কৃষক আমির হোসেনসহ অনেকে জানান, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগটি খুবই ভালো। কৃষক হিসাবে আমরাও চেষ্টা করব বিষমুক্ত সবজি বিক্রি করতে। তারা আরো বলেন, এই বাজারটি সমৃদ্ধ করতে হলে বেশীবেশী প্রচারের দরকার আছে।উদ্বোধন শেষে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, বাজারে যে সবজি পাওয়া যায় তার অধিকাংশ বিষযুক্ত। স্বাস্থ্যর কথা চিন্তা করে আমরা নিরাপদ সবজি বাজার চালু করেছি।উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুস্মিতা সাহা বলেন, সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার উপজেলা চত্তরে নিরাপদ সবজি বাজার থেকে ক্রেতারা সবজি কিনতে পারবেন। ফলে কৃষক ও ক্রেতারা উভয় লাভবান হবেন। এই বাজার ধরে রাখতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে ভালো। বিষমুক্ত সবজি কিনতেঅনেকেই আগ্রহী হবে বলে আমি মনে করি।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হোসেন বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ক্রেতাসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বাজারটি চালু করেছি। যে সকল কৃষক বিষমুক্ত সবজি চাষ করতে চান তাদের সহযোগিতা করতে এই বাজার সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com