ঠাকুরগাঁও’য়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জাল দলিল সরবরাহকারি চক্রের ১জন সদস্যকে ধরিয়ে দিলেন সাব-রেজিস্ট্রার। ভ্রাম্যমান আদালতে ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও এক্রিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান। ১৪ জানুয়ারী (বুধবার) বিকালে পৌরশহরের ভান্ডারা গ্রামের মকলেসুর রহমান, ভান্ডারা মৌজার ১৫৫৯ দাগের ৩৯শতক জমির মধ্যে ৩শতক জমি নিজ পুত্রকে ওশিয়মোঃ কুরবান আলী : জেলা প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও)
ঠাকুরগাঁও’য়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় জাল দলিল সরবরাহকারি চক্রের ১জন সদস্যকে ধরিয়ে দিলেন সাব-রেজিস্ট্রার। ভ্রাম্যমান আদালতে ১৫দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও এক্রিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান। ১৪ জানুয়ারী (বুধবার) বিকালে পৌরশহরের ভান্ডারা গ্রামের মকলেসুর রহমান, ভান্ডারা মৌজার ১৫৫৯ দাগের ৩৯শতক জমির মধ্যে ৩শতক জমি নিজ পুত্রকে ওশিয়ত নামা দলিলের মাধ্যমে সম্পাদন করতে যায় রাণীশংকৈল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে। দলিল লেখক- স্বাধীন চন্দ্র সবকিছু ঠিকঠাক মতো দলিল লেখে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে সকল কাগজাদী উপস্থাপন করেন। এসময় সাব-রেজিস্ট্রার কাগজাদী যাচাই-বাছাইকালে দলিলের জাবেদা নকলটি সন্দেহ মনে করলে, তাৎক্ষণিকভাবে জেলা রেকর্ড রুমে তল্লাশি চালায়। সেখানে স্বাক্ষরের অমিল দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতাকে জিজ্ঞাবাদ করেন। তারা (মকলেসুর রহমান) জানায়, হরিপুর উপজেলার বড়-য়াল গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে মজিবুর রহমান তাঁকে ১০হাজার টাকার বিনিময়ে এ জবেদা নকলটি সরবরাহ করেছেন। পরবর্তী সময়ে কৌশলে মুজিবুর রহমানকে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ডেকে আনা হলে, তিনি (মজিবর রহমান) ভূয়া দলিল তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং জাল দলির তৈরির সাথে জড়িত আরেক জনের নাম প্রকাশ করেছেন। তিনি হরিপুর উপজেলার খিরাইচন্দি গ্রামের মানিক। তাঁদের স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিক্তিতে সহকারি কমিশনার ভুমি ও এক্রিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান, জাল দলিল তৈরি চক্রের সদস্য মুজিবুর রহমানকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুল ইসলাম জানান, প্রথমে দলিলের জাবেদা নকলটি আমার সন্দেহ হয়। সেটি রেকর্ড রুমে তল্লাশি দিয়ে ভূয়া প্রমানিত হলে তাদের জিজ্ঞাবাদ করি। ভুয়া জবেদা নকল কপির বিষয়টি তাঁরা নিজেই স্বীকারোক্তি দিলে, আমি সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে মুঠোফোনে কল করি। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ১৫দিনের কারাদন্ড প্রদান করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। দলিল লেখে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে সকল কাগজাদী উপস্থাপন করেন। এসময় সাব-রেজিস্ট্রার কাগজাদী যাচাই-বাছাইকালে দলিলের জাবেদা নকলটি সন্দেহ মনে করলে, তাৎক্ষণিকভাবে জেলা রেকর্ড রুমে তল্লাশি চালায়। সেখানে স্বাক্ষরের অমিল দেখা দিলে দাতা ও গ্রহীতাকে জিজ্ঞাবাদ করেন। তারা (মকলেসুর রহমান) জানায়, হরিপুর উপজেলার বড়-য়াল গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে মজিবুর রহমান তাঁকে ১০হাজার টাকার বিনিময়ে এ জবেদা নকলটি সরবরাহ করেছেন। পরবর্তী সময়ে কৌশলে মুজিবুর রহমানকে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ডেকে আনা হলে, তিনি (মজিবর রহমান) ভূয়া দলিল তৈরির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং জাল দলির তৈরির সাথে জড়িত আরেক জনের নাম প্রকাশ করেছেন। তিনি হরিপুর উপজেলার খিরাইচন্দি গ্রামের মানিক। তাঁদের স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিক্তিতে সহকারি কমিশনার ভুমি ও এক্রিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান, জাল দলিল তৈরি চক্রের সদস্য মুজিবুর রহমানকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুল ইসলাম জানান, প্রথমে দলিলের জাবেদা নকলটি আমার সন্দেহ হয়। সেটি রেকর্ড রুমে তল্লাশি দিয়ে ভূয়া প্রমানিত হলে তাদের জিজ্ঞাবাদ করি। ভুয়া জবেদা নকল কপির বিষয়টি তাঁরা নিজেই স্বীকারোক্তি দিলে, আমি সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে মুঠোফোনে কল করি। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ১৫দিনের কারাদন্ড প্রদান করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।