বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বর তাদের নেতার আগমনকে ঘিরে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
দলীয় সূত্র জানায়, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে সুন্দরগঞ্জ থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাস, ট্রেন ও মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে সুশৃঙ্খলভাবে ঢাকার পথে যাত্রা করছেন নেতাকর্মীরা। যাত্রাপথে কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতার দেশে ফেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করবে।প্রিয় নেতার আগমন দেশের ইতিহাসের সর্ববৃহৎ প্রত্যাবর্তন হবে এই ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হতে আমরা ঢাকায় যাচ্ছি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন,তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। এই ঐতিহাসিক দিনটির জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি। অবশেষে সেই বহুল প্রত্যাশিত দিনটি আমাদের সামনে উপস্থিত হতে যাচ্ছে। প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে আমরা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ,আগামী দিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন দিকনির্দেশনা পাবে। ২৫ ডিসেম্বর কেবল একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নয় বরং এটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) মাতৃভূমি বাংলাদেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করছেন। লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা) হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-২০২ ফ্লাইটে ঢাকার পথে যাত্রা করবেন তিনি। তার সঙ্গে দেশে ফিরছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।