এবারের মন্ত্রী পরিষদে স্থান পেতে যাচ্ছেন রাজশাহীর দুই প্রবীণ ও জনপ্রিয় নেতা অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল এমপি ও রাসিক সাবেক মেয়র ও এমপি মিজানুর রহমান মিনু এর মধ্যে যেকোনো একজন। রাজশাহীবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কে হবেন তাদের মন্ত্রী।
নবনির্বাচিত অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল (এমপি) রাজশাহী ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজ কল্যাণে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর দুটি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষাখাতে পিছিয়ে পড়া পুঠিয়ার সাধারণ জনগণের সেবায় ১৯৭৮ সালে পুঠিয়া লস্করপুর ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা পেশা শুরু করেন। পুঠিয়া বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সুযোগ্য সন্তান হওয়ায়, তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি তৎকালীন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপির সাবেক এমপি আব্দুস সাত্তার মন্ডলের সাথে রাজনীতির চর্চা শুরু করেন। এবং পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অত্যন্ত সফলতার ও দক্ষতার সাথে তিনি তার দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার দ্বায়িত্ব চলাকালীন এবং পরবর্তীতে কেউ তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির একটি অভিযোগও করতে পারেননি। তিনি প্রশাসক হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত সফল একজন প্রশাসক। এই শিক্ষাবিদের সময়কালেই গুণগত মান বজায় ছিলো বিভিন্ন স্কুল, কলেজে ঘুষ বিহীন শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। যার ফলে, সে সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়া ছাড়াই শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ভালো রেজাল্ট করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও এই গুণী শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, স্কুল-কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন।
এই শিক্ষাবিদ “পুঠিয়া এগ্রো” নামে একটি সমন্বিত কৃষি পাইলট পজেক্ট চালু করেছেন। যার সুফল ইতিমধ্যে এলাকাবাসী পেতে শুরু করেছেন।
সুতরাং তার নির্বাচনী এলাকার অধিকাংশ জনগণ ও সুশীল সচেতন সমাজের ব্যাক্তিবর্গ এই গুণী, সৎ ও দক্ষ রাজনৈতিক ব্যাক্তি নবনির্বাচিত এমপি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।