1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের পদত্যাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র- জনতা আন্দোলনের সমন্বয়কদের কর্মসূচী ঘোষণা

মোঃ আহসান হাবিব
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমূল ইউনিয়নের কুড়াহার গ্রামের সেই আলোচিত প্রতিষ্ঠান কুড়াহার ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের পদত্যাগের জন্য আটমূল ইউনিয়ন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র- জনতা আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে।কোটা আন্দোলনের চরম পর্যায়ে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর নব নিযুক্ত অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের অপসারণ করেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদ বিলুপ্ত করে। কিন্তু সভাপতির পদ বিলুপ্ত হলেও অন্যান্য সদস্যরা তাদের পদে বহাল থাকবে।কিন্তু অধ্যক্ষ আবদুর রহমান ২০ বছর থেকে প্রতিষ্ঠানের হিসাব দেয়নি, এমনকি নিয়োগ বাণিজ্যেও কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।

কিন্তু কোটি টাকা দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, সহকারী শিক্ষকদের সাথে অবিচার, সহ বিভিন্ন অভিযোগ অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আবদুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে কঠোর কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com