1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

দোহারে মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে ফি আদায়

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ-
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা বাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে মোটা অংকের ফি আদায় করার অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্কুলের ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, চার দিনের নোটিশে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নিচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই পরীক্ষার ফি বাবদ পাঁচ’শ পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু করে ছয়’শ টাকা করে ফি নেয়া হয়েছে।

এছাড়া পরীক্ষার ফি না দিলে এবং পরীক্ষায় অংশ না নিলে প্রতি বিষয়ে এক হাজার করে টাকা জরিমানা দিতে হবে বলে হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, অষ্টম শ্রেণিতে পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এক দিনেই ১ম ও ২য় পত্র পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়নের ওপর জোর দিতে চলতি বছর থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৬ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রম চালু করা হয়েছে। এই শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মাউশি। তবে ৮ম, ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে বছরে দুটি পরীক্ষা নিতে পারবে। ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে ফি আদায়ের অনুমোদন নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি শিক্ষার্থীর বেতন আদায়ের রশিদের ‘বিবিধ’ ঘরে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষার বিভিন্ন উপকরণ সমুহ বাবদ নেয়া হয়েছে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে পাঁচ’শ ৫০ টাকা। ৮ম, ৯ম ও ১০ শ্রেণিতে নেওয়া হয়েছে ছয়’শ করে টাকা। ঐ বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় সাড়ে সাত’শ। ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে প্রায় সাড়ে ছয়’শ শিক্ষার্থী।

বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় সাড়ে ছয়’শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মূল্যায়ন পরীক্ষার ফি বাবদ হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। যা শিক্ষানীতির বহির্ভূত। এবিষয়ে বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরোজ কুমার সরকারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার স্কুলের ভাল ফলাফল, শিক্ষকদের বেতন, লেখাপড়ার মান উন্নয়নের জন্য এই ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নিতেছি। সাথে এই পরীক্ষা নিতে কাগজ, প্রশ্নপত্র ছাপানো, পরীক্ষায় গার্ড, খাতা মূল্যায়নসহ না উপকরণের খরচ হিসেবে আমরা ফি ৫৫০ টাকা আদায় করেছি। ফি আদায় আইনসিদ্ধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারাবাহিক মূল্যায়ন পরীক্ষা নিতে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের মৌখিক অনুমোদন আছে। তবে লিখিত অনুমোদন বা ফি আদায়ের অনুমোদন নেই। স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ফি আদায় করা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ সাখাওয়াত হোসেন নান্নুর মোবাইল নাম্বার চাইলে তিনি দেননি।

দোহার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রকিব হাসানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির জন্য কোনো ফি আদায় করার সুযোগ নেই। তবে মূল্যায়ন পরীক্ষার উপকরণের জন্য অল্প কিছু টাকা নিতে পারে। তবে পাঁচ’শ ৫০ টাকা আদায় করা যাবে না। ৮ম, ৯ম, ১০ম শ্রেণির বছরে দুইটি পরীক্ষার ফি নিতে পারবে। কিন্তু মূল্যায়ন পরীক্ষার নামে ফি নেয়া যাবে না।

বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৫০ টাকা করে ফি আদায়ের বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছে জানতে পারলাম। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশ্বের আলম জানান, ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষা নেই। তবে মূল্যায়ন পরীক্ষা নিতে পারে সাথে উপকরণ সমুহ বাবদ একটা খরচ নিতে পারে। কিন্তু ৫৫০ টাকা নিতে পারে না। আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com