নওগাঁ জেলার পত্নীতলা-ধামইরহাট আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো এনামুল হক মহোদয়ের মোবাইল ফোনটি গত কয়েকদিন আগে হারিয়ে যায়। পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশনায় জেলা পুলিশের তৎপরতায় মোবাইল ফোনটি উদ্ধারপূর্বক আজ সেটি সম্মানিত সংসদ সদস্য মহোদয়ের নিকট হস্তান্তর করা হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি পেয়ে তিনি জেলা পুলিশ কে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য যে গতকাল্য জেলা পুলিশ গত এক মাসে উদ্ধারকৃত ১২৬টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে।
নওগাঁয় এমপির হারানো ফোনসহ ১২৬টি মোবাইল উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দিল জেলা পুলিশ
নওগাঁ | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া ১২৬টি হারানো মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. এনামুল হকের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটিও রয়েছে।
সংসদ সদস্যের ফোন উদ্ধার ও হস্তান্তর
গত কয়েকদিন আগে সংসদ সদস্য মো. এনামুল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যায়। বিষয়টি জানার পর পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশনায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফোনটি উদ্ধারে অভিযানে নামে।
তৎপরতা চালিয়ে ফোনটি উদ্ধার করার পর আজ (রোববার) জেলা পুলিশ সেটি সসম্মানে সংসদ সদস্য মহোদয়ের নিকট হস্তান্তর করেন। অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রিয় ফোনটি ফিরে পেয়ে সংসদ সদস্য এনামুল হক জেলা পুলিশের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি পুলিশের এই পেশাদারিত্ব ও দ্রুত সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এক মাসে ১২৬টি মোবাইল উদ্ধার
উল্লেখ্য যে, জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত মাত্র এক মাসে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চুরি হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া মোট ১২৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
উদ্ধার অভিযানের মূল দিকগুলো:
বিশেষ নির্দেশনা: পুলিশ সুপারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও জেলা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করেছে।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ: জিডি হওয়ার পর আইএমইআই (IMEI) ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফোনগুলোর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
জনস্বস্তি: হারানো ফোন ফিরে পেয়ে সাধারণ নাগরিকরা জেলা পুলিশের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
“জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি হারানো সম্পদ উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন পুলিশের সেবায় আস্থা পায়।”
— জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ
নওগাঁ জেলা পুলিশের এমন জনবান্ধব ও দ্রুততর পদক্ষেপ জেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।