1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভদ্রতার দিন শেষ, রাইফেল হাতে ইরানকে হুমকি ট্রাম্পের বিশ্বনাথে বোরো ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষকরা বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: সংসদে জামায়াতের এমপি ফের চট্টগ্রামে হাঁটুসমান পানি প্রার্থনা করি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নতি না হোক: আসামের মুখ্যমন্ত্রী জামালপুরের ইসলামপুরে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ১ কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর নিকলী সহ তথা পুরো হাওরে কৃষকের কান্না: অসময়ে পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে পাকা ধান, দুশ্চিন্তায় কৃষক পরিবার ফরিদপুরে রহস্য জনক ভাবে যুবকের আত্মহত্যা বকশীগঞ্জে কলমের ভেতর মোবাইল রেখে নকল, পরীক্ষার্থী বহিষ্কার! জিয়ানগরে ভুয়া চিকিৎসক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড

নরসিংদীর ঘোড়াশালে ডোবা থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

মোঃএমরুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৮৫ বার পড়া হয়েছে
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে জুলহাস মিয়া(৭০)নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।রবিবার (১০ ই নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার টেকপাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুলহাস মিয়া টেকপাড়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,ঘোড়াশাল পৌর এলাকার টেকপাড়া গ্রামের জুলহাস মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে জীবন-যাপন করে আসছেন।
শনিবার দিবাগত রাতে কোন এক সময় বাসা থেকে বের হয়ে আসেন তিনি।পরে বাড়ীর সামনের একটি ডোবায় পানিতে পরে তার মৃত্যু হয়।রবিবার দুপুরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।ঘোড়াশাল পৌর কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম জানান, নিহত জুলহাস মিয়াকে বাড়ীর সামনের রাস্তায় মাঝে মাঝে ভারসাম্যহীনভাবে বসে থাকতে দেখা যেতো।
বয়স্ক ও মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে তাকে কেউ কেউ আর্থিক সহযোগীতাও করতেন।রবিবার জানতে পারলাম তিনি মারা গেছেন।ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ(পরিদর্শক)তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত জুলহাস মিয়ার পরিবারের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com