সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে এলপি গ্যাস বিক্রির বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ঘোষিত সর্বশেষ মূল্য তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত দামের বাইরে গ্যাস বিক্রি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও লক্ষ্মীপুরে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট চক্র অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে CCS লক্ষ্মীপুর–এর কো-অর্ডিনেটর আবুল হাসান সোহেল তার ফেসবুক পোস্টে বলেন,
“লক্ষ্মীপুরবাসীকে সিন্ডিকেট মাফিয়াদের বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে। যারা নির্ধারিত মূল্যের বাইরে গ্যাসের দাম চাইবে, তাদের কাছ থেকে দয়া করে গ্যাস কিনবেন না। চোরদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে কথা বলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হলে অবশ্যই ভাউচার বা রসিদ সংগ্রহ করবেন। আপনার অভিযোগের ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আপনাকে আইনগতভাবে সহযোগিতা করবে।”
বিইআরসি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, Saudi CP অনুযায়ী জানুয়ারি ২০২৬ মাসের জন্য বেসরকারি এলপি গ্যাস ও অটোগ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে গ্যাস বিক্রি করা যাবে না। একই সঙ্গে সব ডিলার ও পরিবেশককে সরকার নির্ধারিত মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টানানোর নির্দেশনা রয়েছে।
আবুল হাসান সোহেল তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন,
“আপনাদের কষ্টের কথা আমাদের জানান। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে ভূমিকা রাখবো।”
সচেতন মহলের মতে, ভোক্তারা যদি একযোগে নির্ধারিত দামের বাইরে গ্যাস ক্রয় না করেন এবং অভিযোগ জানাতে এগিয়ে আসেন, তাহলে সিন্ডিকেট চক্র ভেঙে দেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের হয়রানি থেকে রক্ষা করতে।