1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

পূর্ব চরউমেদ আহম্মাদিয়া দাখিল মাদরাসার একই ক্লাস রুমে একাধিক শ্রেণির পাঠদান, চরম দুর্ভোগ

নোমান ফরাজী
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯৭৫ সালে স্থাপিত হয় ‘পূর্ব চরউমেদ আহম্মাদিয়া দাখিল মাদরাসা’। শিক্ষার আলো ছড়ানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসাটি ১৯৮৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। শুরুতে টিনশেড ভবনে কার্যক্রম চললেও ১৯৯৭ সালে একটি পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। ওই ভবনে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির পাঠদান এবং অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে নির্মাণের এক দশকের মধ্যেই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে।জরাজীর্ণ পাকা ভবনের পাশেই একটি টিনশেড ভবনে ইবতেদায়ি শাখার প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি এবং ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান চালানো হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভবনগুলোর বেহাল দশার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। জরাজীর্ণ ভবনে বৃষ্টির পানি চুঁইয়ে পড়ায় ছাদের ওপর টিনের ছাউনি দেওয়া হলেও তাতে সমস্যার সমাধান হয়নি।গত সাত মাস আগে ঘূর্ণিঝড়ে টিনশেড ভবনটি বিধ্বস্ত হলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়। বর্তমানে জরাজীর্ণ পাকা ভবনের একটি কক্ষে ইবতেদায়ির পাঁচটি শ্রেণির এবং অন্য দুটি কক্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পাঠদান চালানো হচ্ছে। এতে একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থী এক কক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করায় পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।মাদরাসার এক শিক্ষক জানান, “টিনশেড ভবনটি বিধ্বস্ত হওয়ায় বাধ্য হয়ে একটি ক্লাস রুমে একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পড়াতে হচ্ছে। এতে তারা ঠিকমতো বুঝতে পারছে না। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আমরা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।”একই দাবিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থী এক কক্ষে বসে পড়ায় পড়াশোনার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা দ্রুত একটি নতুন ভবন চাই, যেখানে সুষ্ঠু পরিবেশে পড়ালেখা করতে পারবো।মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. অলি উল্যাহ জানান, “নতুন ভবনের জন্য বহু আগে আবেদন করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা আশা করছি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত একটি নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।”এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলার একাডেমিক সুপারভাইজার মদন মোহন মন্ডল বলেন, “উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পূর্ব চরউমেদ আহম্মাদিয়া মাদরাসার ভবনটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন করে নির্মাণের জন্য আবারও তালিকা পাঠানো হবে।”স্থানীয়রা মনে করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ভবন নির্মিত হলে এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশে পাঠ গ্রহণ করতে পারবে এবং শিক্ষা কার্যক্রমের মান উন্নত হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com