1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

প্রতিদিন শত শত ভারতীয় গরু চোরাই পথে বাংলাদেশে

মোঃআহসান হাবীব, সদর উপজেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪২ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাট জেলা বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শত শত ভারতীয় গরু চোরাই পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। ওইসব গরু জেলার বিভিন্ন হাটে প্রকাশ্য বিক্রি হলেও রহস্যজনক কারণে স্থানীয় প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছেন। গরু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি সিন্ডিকেট।
সূত্রে জানা যায় লালমনিরহাট সদর উপজেলা মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন দেবদেবীর বাজারে দিয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার করে সন্ধা ও গভীর রাতে চোরাচালান কারবারি ভারতীয় গরুগুলো যাতায়াত করে থাকেন।
আরও জানা গেছে, ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতকে পুঁজি করে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার পাশাপাশি হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া, দোলাপাড়া, বড়খাতা, সিঙ্গিমারী, কানীপাড়া, গেন্দুকুড়ি, দইখাওয়া, আমঝোল, ঘুটিয়ামঙ্গল, জাওরানী, দুর্গাপুরসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শত শত ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে কাটাতারের বেড়া কেটে এসব গরু বাংলাদেশে নিয়ে আসছে চোরাচালানকারীরা।
বাংলাদেশে আনার পর লাইনম্যানের মাধ্যমে পাটগ্রাম হাট, হাতীবান্ধার বড়খাতাহাট, দইখাওয়াহাট, কালীগঞ্জের চামটাহাট ও চাপারহাট দুরাকুটিরহাট সহ বিভিন্ন খণ্ডকালীন হাটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের কাছে বিক্রি হচ্ছে গরুগুলো।
একটি সূত্র জানায়, যখন প্রশাসনের উপরমহল থেকে চাপ আসে, তখন স্থানীয় প্রশাসনের কতিপয় অসাধু সদস্য গরু ব্যবসায়ীদের সর্তক করে দেয়। পরে লোক দেখানো দুই-একদিন অভিযান চালায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগের মতো চলে চোরাচালান আর গরু ব্যবসা।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন (ক্রাইম এন্ড অ্যাপ্স ) বলেন চোরাচালান কারবারি ভারতীয় গরুগুলো অবৈধভাবে পারাপার না হয় সেদিকে প্রশাসনের নজরদার অব্যাহত রয়েছ। ১৫ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি) মেজর সৈয়দ মাসুদুর রহমান এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন না।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com