1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমাদের দেশে উৎপাদিত ওষুধ উচ্চমানের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলেছে ‘নিহত’ ঘোষণা করা সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে! এনসিপির সমাবেশে হামলায় প্রশাসন জড়িত, অভিযোগ জামায়াতের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায় ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

ফেনী সদরে ফসলি জমি কেটে ‘সাগর’ বানানোর মহাউৎসব

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে
লেমুয়া ইউনিয়নের কেরনিয়া–ফাজিলপুর–মোটবীতে প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ
বারবার জানানো সত্ত্বেও ব্যবস্থা নেই—ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ
ফেনী সদর উপজেলার ৯ নং লেমুয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের কেরনিয়া, ফাজিলপুর ও মোটবী এলাকায় ফসলি জমি কেটে মাটি কাটার এক ভয়াবহ মহাউৎসব চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি গভীরভাবে কেটে বড় বড় গর্ত তৈরি করা হচ্ছে, যা স্থানীয়দের ভাষায় এখন “সাগরের” রূপ নিচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দিবালোকে ও রাতের আঁধারে প্রভাবশালী একটি চক্র অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে। এতে একদিকে যেমন ফসলি জমি ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ ও কৃষি ব্যবস্থায় মারাত্মক হুমকি তৈরি হচ্ছে।
ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না সাধারণ মানুষ
এলাকার সাধারণ জনগণ জানান, মাটি খাদকরা এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কেউ পাচ্ছে না। প্রতিবাদ করলেই হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
কেরনিয়া গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান,
“আমরা প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েছি। ফসলি জমি কেটে পুরো এলাকা ধ্বংস করে ফেলছে। কিন্তু কেউ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”
ইউএনওকে জানানো হলেও নেই কার্যকর উদ্যোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেনী সদর উপজেলার ইউএনও (এসিল্যান্ড)–কে রাতের বেলা ফোন করে অবৈধ মাটি কাটার বিষয়টি জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে আসার আশ্বাস দেন। প্রথমে রাত ১১টার দিকে আসার কথা বললেও পরে আবার ফোন করলে ১০ মিনিটের মধ্যে আসবেন বলে জানান। কিন্তু রাত ১২টা পেরিয়ে গেলেও তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে ফোন দিলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক ব্যক্তি জানান,
“এতে আমাদের আর কিছু বোঝার বাকি থাকে না। প্রশাসন যদি এভাবে নীরব থাকে, তাহলে আমরা কার কাছে যাব?”
কৃষি ও পরিবেশ হুমকির মুখে
স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এইভাবে মাটি কাটার ফলে জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্ত দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি
লেমুয়া ইউনিয়নের কেরনিয়া, ফাজিলপুর ও মোটবী এলাকার সাধারণ জনগণ অবিলম্বে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com