চট্টগ্রাম সি’আর’বি তে চলছে ২১শে বই মেলা-২০২৪ তরুণ তরুণীদের যেনো এক মিলনায়তন উৎসব।
অন্য বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে নবীন লেখকের উদ্ভব হওয়ায় যেনো বেড়েছে বই কেনার প্রতি আগ্রহ তরুন তরুণীদের।২০২৪ সাল’কে নবীন লেখকের উদ্ভব বছর বলে অনেকে মন্তব্য করেন।
তারা জানায়- একটি বই লিখন কিংবা লেখক হওয়ার যে গুণাবলি থাকার দরকার অনন্ত এতোটুকুও জ্ঞান/ যোগ্যতা তাদের নেই। হিরো আলম, মুশতাক এদের মত লোকদের বই থেকে তরুণ তরুণী কিংবা এইদেশ বা জাতি কি শিক্ষা নিবে? তাছাড়া নবীন লেখকদের মধ্যে অনেকেই আছেন- যাদের একটি বই লিখতে যতটুকু যোগ্যতার প্রয়োজন সেটাও নেই, কিন্তু তারা লিখক তারাই কবি।
বই ক্রেতাগণ জানান-অতি উৎসাহের সাথে বই প্রকাশকে লেখক বলেনা। গুনগত মানের দিক থেকে সুস্পষ্ট ভাষা এবং শিক্ষনীয় বিষয় তুলে ধরাই একজন লেখক বা প্রকাশনীর মূল লক্ষ্য থাকতে হবে বলে মনে করেন তারা। তারা আরো বলেন- বাংলাদেশ সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, বই প্রকাশের নির্ধারিত যোগ্যতা নির্ধারণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যথায় নকল কিংবা যোগ্যতা-হীন (মূর্খের) ভিড়ে হয়তো আসল গুণী-জনদের জীবনী বা বইও বিলুপ্ত হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে।
বই মেলায় বিক্রেতারা জানান- কাঙ্ক্ষিত বই বিক্রয়ের চেয়ে অনেকটা পিছনে আছেন বলে তারা জানান। নবীনদের বইয়ের চেয়েও পুরোনো লেখকদের বইয়ের চাহিদা একটু বেশি।যদিও নতুন লিখক কিংবা বইয়ের সমাহার অধিকাংশ। তরুণ তরুণী হুমায়ুন স্যার , জাফর ইকবাল, পারভেজসহ পুরনো লেখকের বইয়ের প্রতি আকৃষ্ট অনেকটাই বেশি।