1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

বাণিজ্যের আড়ালে ইরানে ‘যুদ্ধের জ্বালানি’ পাঠাচ্ছে চীন

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে চীন থেকে রাসায়নিক বহনকারী কয়েকটি জাহাজ ইরানে পৌঁছেছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঘটনাকে বিশ্লেষকেরা কেবল একটি সামরিক সরবরাহ হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত চারটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ দেশটির বন্দরে ভিড়েছে এবং আরো একটি জাহাজ উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। চীনের ঝুহাই শহরের গাওলান বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা এসব জাহাজ রাসায়নিক সংরক্ষণ সুবিধা ও বহনের জন্য পরিচিত।

এই জাহাজগুলোতে সোডিয়াম পারক্লোরেট বহন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কঠিন জ্বালানিভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ কাঁচামাল দিয়ে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি সম্ভব। ফলে এটি ইরানের চলমান সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কাজ করা মার্কিন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘাতের এই পর্যায়ে ইরান দ্রুত তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে এবং এই ধরনের আমদানি সেই চেষ্টারই প্রতিফলন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্র সিএনএন-কে জানিয়েছে, ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো অক্ষত রয়েছে, যা পূর্বের কিছু দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই প্রেক্ষাপটে নতুন করে কাঁচামাল আমদানি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি উৎপাদনক্ষমতা হারায়নি। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরান হয়তো বিকল্প বা ছড়িয়ে থাকা উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব জাহাজ রাষ্ট্রায়ত্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান শিপিং লাইন গ্রুপ-এর আওতাভুক্ত এবং তারা নজরদারি এড়াতে নানা কৌশল ব্যবহার করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে জাহাজের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) বন্ধ রাখা, ভুয়া গন্তব্য দেখানো এবং নাম পরিবর্তন করা। বিশ্লেষকদের মতে, অনেক বেশি নিখুঁত হয়ে উঠা এই কৌশলগুলো আন্তর্জাতিক নজরদারিকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
এই সরবরাহকে সময়ের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ, চলমান সংঘাতে ইরান ব্যাপক হারে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে এবং তাদের মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা হামলায় উৎপাদন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তাই এই ধরনের কাঁচামাল আমদানি ইরানকে অন্তত আরো কিছুদিন হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দেবে। দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘গোলবান’ ও ‘জাইরান’ নামের দুটি জাহাজের সক্ষমতা থেকে অনুমান করা যায় যে, ইরান অতিরিক্ত ৭৮৫টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট কাঁচামাল আমদানি করে থাকতে পারে।

এর অর্থ হলো, শুধু নতুন চালান দিয়েই যুদ্ধ পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী ইরান আরো এক মাস ধরে সহজেই প্রতিদিন ১০ থেকে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখতে পারে।

চীনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি সামরিক সহায়তার কথা অস্বীকার করলেও, বাণিজ্যিক পণ্যের আড়ালে এই ধরনের কাঁচামামধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে চীন থেকে রাসায়নিক বহনকারী কয়েকটি জাহাজ ইরানে পৌঁছেছে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ঘটনাকে বিশ্লেষকেরা কেবল একটি সামরিক সরবরাহ হিসেবে নয়, বরং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত চারটি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ দেশটির বন্দরে ভিড়েছে এবং আরো একটি জাহাজ উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। চীনের ঝুহাই শহরের গাওলান বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা এসব জাহাজ রাসায়নিক সংরক্ষণ সুবিধা ও বহনের জন্য পরিচিত।

এই জাহাজগুলোতে সোডিয়াম পারক্লোরেট বহন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা কঠিন জ্বালানিভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ কাঁচামাল দিয়ে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি সম্ভব। ফলে এটি ইরানের চলমান সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কাজ করা মার্কিন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘাতের এই পর্যায়ে ইরান দ্রুত তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে এবং এই ধরনের আমদানি সেই চেষ্টারই প্রতিফলন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্র সিএনএন-কে জানিয়েছে, ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এখনো অক্ষত রয়েছে, যা পূর্বের কিছু দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই প্রেক্ষাপটে নতুন করে কাঁচামাল আমদানি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দেশটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি উৎপাদনক্ষমতা হারায়নি। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরান হয়তো বিকল্প বা ছড়িয়ে থাকা উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব জাহাজ রাষ্ট্রায়ত্ত ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান শিপিং লাইন গ্রুপ-এর আওতাভুক্ত এবং তারা নজরদারি এড়াতে নানা কৌশল ব্যবহার করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে জাহাজের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) বন্ধ রাখা, ভুয়া গন্তব্য দেখানো এবং নাম পরিবর্তন করা। বিশ্লেষকদের মতে, অনেক বেশি নিখুঁত হয়ে উঠা এই কৌশলগুলো আন্তর্জাতিক নজরদারিকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
এই সরবরাহকে সময়ের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ, চলমান সংঘাতে ইরান ব্যাপক হারে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে এবং তাদের মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টানা হামলায় উৎপাদন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তাই এই ধরনের কাঁচামাল আমদানি ইরানকে অন্তত আরো কিছুদিন হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা দেবে। দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘গোলবান’ ও ‘জাইরান’ নামের দুটি জাহাজের সক্ষমতা থেকে অনুমান করা যায় যে, ইরান অতিরিক্ত ৭৮৫টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট কাঁচামাল আমদানি করে থাকতে পারে।

এর অর্থ হলো, শুধু নতুন চালান দিয়েই যুদ্ধ পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকদের অনুমান অনুযায়ী ইরান আরো এক মাস ধরে সহজেই প্রতিদিন ১০ থেকে ৩০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ অব্যাহত রাখতে পারে।

চীনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চীন আনুষ্ঠানিকভাবে সরাসরি সামরিক সহায়তার কথা অস্বীকার করলেও, বাণিজ্যিক পণ্যের আড়ালে এই ধরনের কাঁচামাল সরবরাহ অব্যাহত রাখছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে একদিকে তারা আন্তর্জাতিক চাপ এড়াতে পারছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখছে। একই ধরনের কৌশল তারা রাশিয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে চীনের জন্য এটি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষার বিষয়। এর কারণ ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে, যেখানে বেইজিং অবকাঠামো প্রকল্পে বিপুল বিনিয়োগ করেছে।

ল সরবরাহ অব্যাহত রাখছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতে একদিকে তারা আন্তর্জাতিক চাপ এড়াতে পারছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখছে। একই ধরনের কৌশল তারা রাশিয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে চীনের জন্য এটি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষার বিষয়। এর কারণ ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে, যেখানে বেইজিং অবকাঠামো প্রকল্পে বিপুল বিনিয়োগ করেছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com