1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ–৩ (টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়া) আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাবনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান জাফির তুহিনের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শিবচরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার বিক্ষোভ: আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ঠেকাতে প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম বারহাট্টায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেক হলো ‘২৮ লাখ’ জালিয়াতির অভিযোগ ঠাকূরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন ডাসারে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আসন্ন জাতীয় এয়োদশ নির্বাচন নিরাপত্তা পর্যালোচনায় বরগুনায় নৌ প্রধান নেত্রকোনায় ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ পালিত কাঠালিয়ায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মৎস্যজীবীদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ জামালপুরসহ তিন জেলায় বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

বারহাট্টায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেক হলো ‘২৮ লাখ’ জালিয়াতির অভিযোগ

হাফিজ উল্লাহ চৌধুরী  
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

 নেত্রকোনার বারহাট্টায় পাওনা টাকার চেক জালিয়াতি করে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকাকে ২৮ লাখ টাকায় রূপান্তর করার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ওবায়দুল হক ওরফে ওবুল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই জালিয়াতির মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে মামলা দায়েরের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী টুটন সরকার। অনুসন্ধানে যা পাওয়া গেছে: অনুসন্ধান ও মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর বিকেল ৪টায় একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে টুটন সরকার ওবায়দুল হককে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে টুটন সরকার ১ লাখ টাকা পরিশোধ করলে পাওনার পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ওবায়দুল হক সেই পরিশোধিত টাকার কথা গোপন করে এবং মূল চেকে থাকা সংখ্যার ওপর ‘ওভাররাইটিং’ করে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকাকে ২৮ লাখ টাকায় রূপান্তর করেন।
চেকটির ফরেনসিক পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, টাকার অংকে ‘৮’ সংখ্যাটিকে পরিবর্তন করে কৌশলে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, যা আইনত বৈধ সংশোধন নয়। ভুক্তভোগীর বক্তব্য: ভুক্তভোগী টুটন সরকার বলেন, “আমি ১ লাখ টাকা পরিশোধ করার পর তিনি পাওনা স্বীকার করেছিলেন। কিন্তু এখন জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করে আমাকে সপরিবারে নিঃস্ব করার চেষ্টা করছেন। আমি এই প্রতারণার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।” আইনজীবীর অভিমত: এ বিষয়ে স্থানীয় আইনজীবীরা বলছেন, চেকে ঘষামাজা বা ওভাররাইটিং করে টাকার অংক পরিবর্তন করা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। যদি প্রমাণিত হয় যে চেকটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে, তবে মামলার বাদী নিজেই প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত হবেন। স্থানীয়দের উদ্বেগ: স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের জালিয়াতি সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক লেনদেনে চরম আস্থার সংকট তৈরি করবে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বের করে আনা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com