1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শাপলা চত্বর হত্যা মামলা: দীপু মনি-ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে মমতা! ‘চোর চোর’ স্লোগান আদালত চত্বরে ঢাবিতে তারেক রহমানের সহপাঠী ছিলেন শিরিন শারমিন ও রিজওয়ানা হাসান: আসিফ নজরুল মালয়েশিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন জামায়াত সেক্রেটারি আরজেএফ এ’র ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৫ সাংবাদিক প্রেসক্লাব শালিখার সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও এবং ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ। বকশীগঞ্জে স্কুল এন্ড কলেজে নিয়মবহির্ভূত ছুটির অভিযোগ, সরেজমিনে মিললো বন্ধ প্রতিষ্ঠান নাটোরে ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ​মে মানেই কি তবে আতঙ্ক? কয়রার উপকূলে নির্ঘুম রাতের হাতছানি ও আগাম প্রস্তুতির লড়াই এক শিক্ষকে কয়েক বছর ধরে চলছে বিদ্যালয়, হুমকিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন সম্পূর্ণ নির্দোষ

নওয়াব আলী 
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে
মাগুরার বেরোইল পলিতা গ্রামের ও  ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মামলার কয়েকজন সাক্ষীরা বলছেন, মুক্তিযোদ্ধা সম্পূর্ণ নির্দোষ। সাথে সাথে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা মামলা থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য  মামলাটির পুনরায় গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে সিআর ৬৮/২৫ নং মামলায় তিনি ২ নম্বর আসামি। মামলার সাক্ষী করা হয়েছে বেরইল খাড়াপড়ার  মিকাইল মোল্লা (কালামিয়া), জিয়া শেখ, তার পুত্র শাহিন শেখ  সহ পাঁচ জনকে। মামলার বাদী ডহরসিংড়া গ্রামের ইব্রাহীম খান ।সে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার পাওনার মামলা করেছে। যেখানে আরো আসামি করা হয়েছে মুক্তি যোদ্ধার ৩ ছেলেকে ও। মামলায় ঘটনার প্রথম দিন বাদী গত ২৩/২/২৪ তারিখে বাড়িতে এসে সাক্ষীদের সামনে মুক্তিযোদ্ধার  হাতে ৪,৪৬০০০/ হাজার টাকা দেয়।  পরবর্তীত আরো কয়েক লক্ষ টাকা দেয় বলে মামলায় উল্লেখ আছে। কিন্তু সাক্ষী মিকাইল মোল্লা কালামিয়া বলেছেন, গ্রামে বসে  আমাদের সামনে মুক্তিযোদ্ধার হাতে টাকা দেয়া সম্পূর্ণ মিথ্যা । বরং আমি  নিজেই বিদেশ যাওয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছি এই মামলার বাদী ইব্রাহিম খানের হাতে তার বাড়িতেই তার স্ত্রী ও মেয়ের সামনে। এই সময় মুক্তিযোদ্ধা বা তার কোন ছেলেরা উপস্থিত ছিল না। আদালত সাক্ষী নিলে আমি উচ্চস্বরে বলব আমার জীবনটাই নষ্ট করে দিয়েছে প্রতারক ইব্রাহিম। মুক্তিযোদ্ধা বা তার ছেলেদের  আমার সামনে কোন টাকা পয়সা  দেয়নি বা কোনদিন আমার সামনে লেনদেন হয়নি। এছাড়া আরেক জন সাক্ষী মোহাম্মদ জিয়া শেখ বলেন, আমার ছেলেকে বিদেশ যাওয়ার জন্য মামলার বাদী ইব্রাহিমকে টাকা দিয়েছি ঢাকায় যেয়ে। গ্রামে কোন লেনদেন হয়নি। সুতরাং আমার উপস্থিতিতে গ্রামে বসে মুক্তিযোদ্ধার হাতে ইব্রাহিম টাকা দিয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এছাড়া সাক্ষীরা আরো বলেছেন, মামলার এক নম্বর আসামি মুক্তিযোদ্ধার  বড় ছেলে মোজাহিদুল ইসলাম শিপন  দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর বাড়িতেই আসেনা। সুতরাং গ্রামে  বসে লেনদেনের বিষয সম্পূর্ণ মিথ্যা।
যেহেতু মামলার সাক্ষীরা বলছেন গ্রামে বসে  তাদের
সামনে   মুক্তিযোদ্ধার হাতে কোন টাকা পয়সা বাদী দেয়নি বা কোন লেনদেন হয়নি।
সেহেতু এই  মামলাটি পুনরায় তদন্ত সাপেক্ষে  মামলাটি থেকে তাকে বাদ বা পরিত্রাণ দেয়া সহ দ্রুতই  সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে মামলাটি খারিজ করে দেয়ার জোরালো দাবি জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ দাউদ হোসেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com