1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চীন-পাকিস্তান সীমান্তে শক্তি বাড়াতে শতাধিক রাফাল কিনছে ভারত বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ জিয়ানগরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার খুলনা জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৩০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে সাইকেল বিতরণ ‎ঈদযাত্রায় গৌরনদীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ২৩; চার লেনের দাবি জোরালো দুই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর তিন দফায় হামলা, অন্তঃস্বত্ত্বা নারীসহ ১১ জন আহত ধামইরহাটে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ছেলে নিহত আহত বাবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার যুদ্ধ অনিবার্য হতে পারে: ইরানি কর্মকর্তা সাংবাদিক কাজী সোহাগকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ডিআরইউ’র গভীর উদ্বেগ কু-সংস্কারের পর্দা সরিয়ে ভন্ড ফকিরের মুখোশ উন্মোচন

বৃষ্টির নামাজ নিয়ে কোরআন-হাদিসে যা বলা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

মহানবী (সা.) মসজিদে নববীর মিম্বারে দাঁড়ানো অবস্থায় বৃষ্টির জন্য দোয়া করেছেন। আবার ঈদগাহে কিংবা খোলা ময়দানে বিশাল সমাবেশে ইসতিসকার নামাজে ইমামতি করেছেন। বৃষ্টির জন্য দুই হাত তুলে মোনাজাতও করেছেন।

হাদিস শরিফে আছে, প্রিয় নবী (সা.) বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে বের হলেন। তিনি কেবলামুখী হয়ে দোয়া করলেন এবং নিজের চাদরখানা উল্টিয়ে দিলেন। তারপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করেন। তিনি উভয় রাকাতে কেরাত পাঠ করেন সশব্দে।

অনাবৃষ্টি বা খরাজনিত কারণে বৃষ্টির জন্য আল্লাহতায়ালার দরবারে দোয়া করা সুন্নত। অনাবৃষ্টি আক্রান্ত এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ভালো পোশাক পরিধান করে খুবই বিনীতভাবে হেঁটে খোলা ময়দানে সমবেত হয়ে বিনম্রভাবে কাতরস্বরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হয়। তারপর ইমামের পেছনে দুই রাকাত নামাজ আদায় করতে হয়। এ নামাজে আজান-ইকামত নেই। ইমাম কেরাত পাঠ করবেন উচ্চৈঃস্বরে। ইমাম তার গায়ের চাদর উল্টিয়ে নেবেন অর্থাৎ চাদরে ডান পাশ বামে এবং বাম পার্শ্ব ডানে পরিবর্তন করে কিবলামু‍খী অবস্থায় হাত উঠিয়ে দোয়া করবেন। এর আগে খুতবা দেবেন। বহু নজির আছে এ নামাজ শেষ হতে না হতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে থাকে। যদি না হয় মোট তিন দিন এই নামাজ আদায় করতে হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com