1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

ভেড়ামারা স্বরূপের ঘোপে ৯ বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা লুটপাট -অগ্নিসংযোগ। নারী পুরুষ সহ আহত ২৫

কাজী মিজানুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৯টি বাড়িতে  একযোগে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এছাড়া একটি দোকান এবং একটি ব্রয়লার ফার্মেও হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাই হয়েছে একটি মোটরসাইকেল ও মোটর। হামলার সময়ে উক্ত বাড়িঘর সমূহের বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর করে খসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ভেড়ামারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।
জানা গেছে গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মসজিদের ইমামের বকেয়া বেতন পরিশোধকে কেন্দ্র করে মসজিদ কমিটির সেক্রেটারির বিপক্ষে অবস্থান নেয় একটি গ্রুপ। জুম্মার নামাজ চলাকালীন সময়েই বাগ বিতন্ডার সূত্রপাত ঘটে। নামাজ শেষে মফিজ উদ্দিন , রিফাজউদ্দিন উজ্জ্বল হোসেন, কালু , আফফান , বিশু , শুকুর, রিফা, উজ্জ্বল সহ  প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে অজ্ঞাত শত খানেক হামলাকারী একযোগে মসজিদ প্রাঙ্গনে কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরীয়ত উল্লাহ ও তার লোকজনের উপরে হামলা করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে তারা শরীয়তুল্লাহর বাড়ির ভেতরে অবস্থান নিলে সন্ত্রাসীরা ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় পাশাপাশি টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। হামলার সময় রক্ষা পায়নি মহিলারাও। এরপরে একের পর এক অন্যান্য বাড়িগুলোতে হামলা হয় এবং একই কায়দায় লুটপাট করা হয়। হামলাকারীরা উগ্র মূর্তি ধারণ করে হাতে লোহার রড রামদা হাতুড়ি হাত কুড়াল হাসুয়া এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে খোশবার আলী, শরীয়ত আলী, মারফত আলী, সুমন আলী এবং নারীসহ মোট ২৫ জনকে গুরুতরভাবে জখম করে। ২৫ জনের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদের মধ্যে খোশবার আলীকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক মর্মে জানা গেছে। হামলাকারীরা বদরের একটি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। বদরের দোকানে হামলা করে এবং লুটপাট করে ও ফ্রিজ ভেঙে ফেলে। বদরের নলকূপ উপড়ে ফেলে এবং মোটর নিয়ে যায়। এছাড়া বদরের মুরগির খামারে হামলা করে ১৩০০ মুরগী নিয়ে যায়। এক একটি ব্রয়লার মুরগির ওজন তিন থেকে চার কেজি। এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আতংক বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে ভেড়ামারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। ঘটনার বিষয়ে ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শহিদুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন এ ব্যাপারে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইতিমধ্যেই তিনি একজন কর্মকর্তাকে ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিন্তু তার আগে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে তিনি শান্ত থাকবার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com