1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

ভোগান্তির আরেক নাম কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন শেষ পর্ব

সজীব সরকার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৫২ বার পড়া হয়েছে

একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যা করতে না পারেন  তাই করতে পারেন সেই একই প্রতিষ্ঠানের নিম্ন পদস্থ  কর্মকর্তা (দারোয়ান)গত একুশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ভোগান্তির আরেক নাম কোভিড  ১৯ vaccine এর প্রথম পর্বের পর  এই একই শিরোনামে  দ্বিতীর পর্বেরও  সমাপ্ত হয়। আজ আলোচনা করব এ পর্বের চূড়ান্ত বা সর্বশেষ পর্ব নিয়ে । যারা পরপর তিনটি পর্ব ই দেখছেন তাদেরকে জানাই আন্তরিকভাবে অভিনন্দন এবং যারা আগের দুটি পর্ব মিস করেছেন তাদেরকে দেখে আসার জন্য অনুরোধ করছি l

দ্বিতীয় পর্বের পরে —
মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভিন্ন ডেস্ক এ  বসা একজন সিনিয়র কর্মকর্তার দাবি আমাদের এখানে কোন সিনিয়র জুনিয়র নেই। আমরা সবাই এক।প্রচলিত একটি কথা আছে  চেয়ারম্যানের থেকে চেয়ারম্যানের চামচার (সহকারীর) ক্ষমতা বেশি। এ কথার সত্যতা প্রমাণের জন্য আমরা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাহিরের গেটে এসে একজন দারোয়ানের সাথে কথা বলি এবং আশ্চর্যজনকভাবে তিনি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন মামা কাজ হবে আপনি চিন্তা কইরেন না কিন্তু মাল পানি ছাড়া লাগবে বুঝেন তো ।আজকাল মাল পানি ছাড়া কোন কাজ হয় না।

বললাম ওনারা ( স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা )বললেন যে একই দিনে  নাকি দুইটা তথ্য  সার্ভারে জমা করা যাবে না। প্রতিউত্তরে তিনি হেসে দিয়ে  বললেন আপনি দেখি এখনো সেই আমলেই রয়ে গিয়েছেন ।এখন টাকা হলে সবই করা যায় এই কথা বলে তিনি একজনকে ফোন দিয়ে আসতে বললেন এবং সেই লোকটি  আসলেন।

জনৈক ব্যক্তি : কাজ হবে কিন্তু এখন না আজ রাতে ।জরুরী কাজ তো টাকা কিন্তু একটু বেশিই লাগবে।
দৈনিক দেশ বুলেটিনের প্রতিনিধি :তা কত লাগতে পারে?
জনৈক ব্যক্তি :এই ধরেন চার পাচ হাজার। চার-পাঁচ হাজার?
দৈনিক দেশ বুলেটিনের প্রতিনিধি :এত টাকা তো দিতে পারব না ভাই গরিব মানুষ।
জনৈক ব্যক্তি :আরে এটা তো অনুমানে বললাম। এখন দেখি কত কমে করানো যায়। আপনি বুঝবেন না ভাই এই টাকাটা অনেক জায়গায় দেওয়ার পর আমরা হয়তো দুই তিনশ পাব। কাজ করতে চাইলে নাম্বার নিয়ে যান আজকেই জানাবেন।
দৈনিক দেশ বুলেটিনের প্রতিনিধি প্রতিনিধি :  call দিয়ে ভাই পাঁচশত টাকার বেশি দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই।
জনৈক ব্যক্তি :  ৪০০০ এর কম হলে সম্ভব না।
সামান্য একটু নিবন্ধনের জন্যই যদি এত টাকা ব্যয় করতে হয় । যেটা করে দিতে তারা  জনগণের কাছে  বাধ্য। কারণ তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এ কারণেই ।এখন এটাই যদি হয় একটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মত কোন প্রতিষ্ঠানের আসল চিত্র তাহলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেরই বা কি অবস্থা?

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com