1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলেছে ‘নিহত’ ঘোষণা করা সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে! এনসিপির সমাবেশে হামলায় প্রশাসন জড়িত, অভিযোগ জামায়াতের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায় ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক

ভোলা-২ আসনের রাজনীতি এখন কেবল প্রার্থী বনাম প্রার্থী নয়, এটি বর্তমানে রাজনৈতিক কৌশলের হাতিয়ারে পরিণত

Md Necar Uddin
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির ভাইস চেয়ারম্যান মোকফার উদ্দিন চৌধুরীকে সামনে আনা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো ভোলা জেলায় এলডিপির কোনো কার্যকর সাংগঠনিক কাঠামো নেই। দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার কারণে এই প্রার্থীর সঙ্গে এলাকার মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক কিংবা পারিবারিক কোনো সংযোগও গড়ে ওঠেনি। মাঠের রাজনীতিতে যার উপস্থিতি নেই, তার জন্য ভোট কেবল কথার ফুলঝুরিতেই সীমাবদ্ধ। ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হলেও তাকে ঘিরে ভোটারদের কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।
এর বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলার সাবেক আমির মাওলানা মুফতি ফজলুল করিম একজন পরিচিত মুখ। ভোলা-২ আসনে জামায়াতের প্রায় ৫০ হাজার সহযোগী সদস্য,কর্মী ও রোকন রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই মাঠে জামায়াতের কর্মীরা আশাবাদী ছিল। কিন্তু এখানেই আসে জাতীয় রাজনীতির অঙ্ক।
জামায়াত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সব আসন জেতার লক্ষ্য নিয়ে নামেনি। তাদের লক্ষ্য ছিল জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী শক্তি বা বিরোধী দল হিসেব নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করা। সে কৌশলের অংশ হিসেবেই তারা যেসব আসনকে নিজেদের হিসেবে ধরেনি, সেসব আসন জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ভোলা-২ আসন সেই হিসাবের মধ্যেই পড়ে।
অনেকে মনে করেন, ভোলা-২ ও ভোলা-৪ আসন ছিল জামায়াতের জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনাময় আসন। জাতীয় রাজনীতির কৌশল বা গোপন সমঝোতার মাধ্যমে বিএনপির শক্ত প্রার্থীদের সুবিধা দিতেই এখানে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও অচেনা জোট প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে। কৌশল হিসেবে এটি যৌক্তিক হতে পারে, কিন্তু মাঠের কর্মীদের জন্য এটি কঠিন বাস্তবতা। তাদের শ্রম, সময় এবং আশার অনেকটাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কোরবানী হয়ে গেল।
অন্যদিকে ভোলা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জনাব হাফিজ ইব্রাহিম নিঃসন্দেহে হেভিওয়েট প্রার্থী। ২০০১ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, পরবর্তীতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, দীর্ঘ সময় জেল-জুলুম সহ্য করা একজন পরীক্ষিত নেতা। মাঠ পর্যায়ে তার সাংগঠনিক শক্ত অবস্থান রয়েছে, যা এই আসনে তার বিজয়ের সমীকরণ আরও স্পষ্ট করে দেয়।
ভোলা-২ আসনের এই চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাজনীতিতে আবেগ দিয়ে মাঠ গরম হলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত আসে কেন্দ্রের কৌশল থেকে। আর সেই কৌশলের বোঝা সবচেয়ে বেশি বহন করতে হয় মাঠের নেতা-কর্মীদেরই। শেষ অবধি নিজেদের অস্তিত্বের লড়াইয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীরা তার পক্ষে কেমন অবস্থান নেবে সেটাই দেখার বিষয়। তাই কোনো নেতার পক্ষে কাজ করা যেতেই পারে, কিন্তু অতিরঞ্জিত কোনো ‍কিছুই ভালো না।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com