1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

মনের ক্ষুধা মেটাতে আনন্দ ভ্রমণ

এম,এ,মান্নান
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

মানুষের মন চায় বিশ্রাম, চায় প্রকৃতির সান্নিধ্যে গিয়ে কিছুটা সময় কাটাতে। ক্লান্ত জীবনের একঘেয়েমি দূর করে প্রাণ জুড়ানো এক আনন্দের নাম হলো ভ্রমণ। মনের ক্ষুধা মেটাতে আমরা কিছু বন্ধু মিলে নিয়ামতপুর স্পোর্টস পয়েন্টের উদ্যোগে একটি আনন্দ ভ্রমণে বের হই। আমাদের গন্তব্য ছিল দেশের তিনটি অপূর্ব স্থান – সিলেটবান্দরবান এবং কক্সবাজার।এই আনন্দময় ভ্রমণের অন্যতম সঙ্গী ছিলেন আমাদের প্রিয় রবিউল ভাই (রবি)। তাঁর নেতৃত্ব, রসিকতা ও সহযোগিতার মনোভাব আমাদের যাত্রাকে করে তুলেছিল আরও আনন্দদায়ক ও সফল।প্রথম গন্তব্য ছিল সিলেট – চা-বাগান, ঝর্ণা, পাহাড় ও সবুজের অপার সমারোহ। সিলেটের প্রকৃতির মাঝে হাঁটতে হাঁটতে যেন মন খুঁজে পেল এক নতুন প্রশান্তি। এরপর আমরা রওনা হই বান্দরবানের উদ্দেশ্যে। সেখানে পাহাড়ি পথ, ঝর্ণার শব্দ, শান্ত পরিবেশ – সব কিছু মিলিয়ে যেন স্বর্গীয় এক অনুভূতি। বিশেষ করে নীলগিরি ও নীলাচল থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের দৃশ্য আমাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
শেষ গন্তব্য ছিল কক্সবাজার – বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। ঢেউয়ের গর্জন, বালুকাবেলায় হাঁটা আর লাল সূর্যের আলোর খেলা – আমাদের মনে এক গভীর প্রশান্তি এনে দেয়।এই পুরো ভ্রমণ ছিল আনন্দ, উত্তেজনা ও অভিজ্ঞতায় ভরপুর। নতুন নতুন স্থান দেখা, একসাথে সময় কাটানো এবং প্রকৃতির সান্নিধ্যে আসার অভিজ্ঞতা আমাদের মনকে করেছে সমৃদ্ধ। রবিউল ভাইয়ের বন্ধুবৎসল আচরণ ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনাও ছিল প্রশংসনীয়।সবশেষে বলা যায়, এই আনন্দ ভ্রমণ কেবল একটি সফর নয়, বরং ছিল আমাদের জীবনের একটি মধুর স্মৃতি, যা আমরা দীর্ঘদিন ধরে হৃদয়ে লালন করব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com