মাগুরার বেরোইল পলিতা গ্রামের ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সাথে সাথে মামলাটির পুনরায় গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালতে সিআর ৬৮/২৫ নং মামলায় তিনি ২ নম্বর আসামি। তিনি বলেন, মামলার বাদী ডহরসিনড়া গ্রামের ইব্রাহীম খান প্রায় ২০ লক্ষ টাকার পাওনার মামলা করেছে। যেখানে ১ নং আসামি করা হয়েছে আমার বড় ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম শিপনকে এবং আরো দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার প্রথম দিন গত ২৩/২/২৪ তারিখে বাড়িতে এসে আমার হাতে ৪,৪৬০০০/ হাজার টাকা দেয়। যাহা সম্পন্ন মিথ্যা। পরবর্তীত আরো কয়েক লক্ষ টাকা দেয় বলে মামলায় উল্লেখ আছে। আমার বড় ছেলে শিপন প্রায় ৩০ বছর বাড়ি ছাড়া এবং আজ পর্যন্ত সে বাড়িতে আসে না। আমার সাথে কোন সম্পর্ক নেই এবং কোন প্রকার লেনদেন নেই। এমনকি কয়েক বছর আগে থেকে আমি আমার পুরনো বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে আমার ছোট বউকে নিয়ে অন্য জায়গায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছি।। আমার পৈত্রিক বাড়িতে অন্য দুই ছেলে রানা ও রনি বসবাস করে। মূলত আমার সাথে ঐ তিন ছেলের দীর্ঘদিন কোন সম্পর্ক নেই। তারা তাদের মত চলে আমি আমার মত চলি। তাছাড়া এক নম্বর আসামি শিপন প্রায় ৩০ বছর বাড়িতে আসে না ।তাহলে গত ২৩ /২/২৪ তারিখে তার সামনে আমার হাতে টাকা দেয়ার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট পুনরায় নিরপেক্ষ গভীর তদন্ত সাপেক্ষে আমি এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আকুল আবেদন করছি।