1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

মোঃ রেজাউল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রাম জেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি,দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা  আজ (২১ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল দশটায় শুরু হয়েছে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সমন্বয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

জেলায় এবারে মোট ৫৬ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ২৭ হাজার ৩৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ৩৫ টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৮ হাজার ৬৭৬ জন,   ১১টি কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ৭১২ জন এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) এর জন্য ১০টি কেন্দ্রে ১হাজার ৯৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত।

জেলার ৯টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহের সার্বক্ষণিক সুপারভাইজিং অফিসার এবং কেন্দ্র কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরিচালনার জন্য

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: নাজির হোসেন কেন্দ্র সচিব ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দের হোয়াটসঅ্যাপ  গ্রুপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়াও তিনি ২৫টি কেন্দ্রের ভিজিলেন্স টিমের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কুদরত-এ-খুদা ১১টি কেন্দ্রের ভিজিলেন্স টিমের আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো: জাকির হোসেন ২০টি কেন্দ্রের  আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও নিয়ন্ত্রিত রাখার জন্য পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে।

প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে একজন নারী পুলিশসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের পরীক্ষা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা পূর্বে মোতায়েনসহ পুরো বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার অফিসার ইনচার্জ সমন্বয় করছেন।

কুড়িগ্রামের জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার সকল পরীক্ষাকেন্দ্র পরীক্ষা গ্রহণের জন্য যথাযথভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় সার্বক্ষণিক তদারকি করছে যা শেষ বিষয়ের পরীক্ষা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com