কুমিল্লা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের আকর্ষণীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)।শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনায় কুমিল্লার মুরাদনগরে “ইপিজেড” প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
মুরাদনগর ইতিমধ্যেই প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদে সমৃদ্ধ। বাখরাবাদ, বাঙ্গরা ও শ্রীকাইল-৩ (মকলেশপুর) – এই তিনটি গ্যাস ফিল্ড থাকা সত্ত্বেও স্থানীয়রা গ্যাসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
এই প্রেক্ষাপটে,দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মুরাদনগরের নবনির্বাচিত সাংসদ জাহাঙ্গীর আলম সরকার সংসদে দুটি বিকল্প দাবি উত্থাপন করেছেন,মুরাদনগরে গ্যাস সরবরাহ ও স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ।ইপিজেড স্থাপন: অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।এই দাবির প্রেক্ষাপটে, মুরাদনগরের মানুষ উচ্ছ্বসিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ইপিজেড স্থাপনের দাবি জানাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
ইপিজেড স্থাপনের সুবিধা:
বিনিয়োগ বৃদ্ধি: দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ,
কর্মসংস্থান সৃষ্টি: স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি,
অর্থনৈতিক উন্নয়ন: বাণিজ্য-ব্যবসার প্রসার,
জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: জনগণের আয় বৃদ্ধি,
দারিদ্র্য বিমোচন: স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।
স্থানীয়দের আশা সরকার দ্রুততম সময়ে মুরাদনগরে ইপিজেড স্থাপন করবে।
স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে মুরাদনগরে গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
উল্লেখ্য:মুরাদনগর ও বাঙ্গরা এলাকায় ৪০০ একর জমির উপর ইপিজেড স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডক্টর আহসানুল আলম সরকার কিশোর এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছেন।
মুরাদনগরের স্থানীয়দের আশা, ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চল একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ এলাকায় পরিণত হবে।