1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা দেশ সংস্কারের নামে কুসংস্কারের জন্ম দেওয়া হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন প্রহ্লাদ যোশী প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা চীনের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় সরকার আগামী ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার শূন্য ব্যয় থেকে লাভজনক হবে নেত্রকোণায় নিজ ঘর থেকে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান নিয়ে শঙ্কা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সৈয়দপুরে মেলার আড়ালে ‘মেগা লটারি’: টিকিট বিক্রেতা হাতেনাতে আটক, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার

রমজান শুরু হতেই নিত্যপণ্যের বাজারে আগুন, বিপাকে ক্রেতারা

রাশিমুল হক রিমন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই বরগুনা জেলার বিভিন্ন বাজারগুলো নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছে ক্রেতারা। বিভিন্ন হাট ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্যের হঠাৎ করে অলৌকিক শক্তিতে চড়া দামে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা।
বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। যেন রমজান মাস শুরু হলো না জানি সোনার খনি তাদের হাতে এসে পড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো নজরদারি নেই বলে ক্রেতাসহ সাধারণ মানুষজন জানিয়েছেন।
রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই সবজির বাজার চড়া। রাতারাতি দাম চড়া হয়ে গলায় কাটা বিঁধে ছটপট করছে ক্রেতারা। একদিনের ব্যবধানে দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে চিকন বেগুন ৭০ টাকা, মাঝারি ও গোল বেগুন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ৩০-৪০, গাজর ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, করলা ৯০-১১০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ৫০-৬০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪৮০-৫০০ টাকা, প্রতি পিস লাউ (আকারভেদে) ৫০-৬০ টাকা, পটল ১২০ টাকা, দেশি রসুন ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি ৫০-৫৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এখানে প্রতিটি পণ্যের দাম ১০-২০টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এছাড়াও বাজারে কার্ডিনাল আলু ৩০ টাকা, শিল আলু ৫০ টাকা, বগুড়ার সাদা পাকরি আলু ৪০ টাকা ও গ্রানুলা ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ ৬০ থেকে এক লাফে ৯০ টাকা ও দেশি আদার কেজি ২২০-২৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলেন, রমজান মাসে বেগুনের চাহিদা বেড়ে যায়, কিন্তু আমদানি কম থাকায় দাম বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা চিনি ১৫০-১৬০ টাকা, প্যাকেট আটা আগের মতোই ৬০-৬৫ টাকা, খোলা আটা ৪৮-৫০ টাকা, ছোলাবুট ১০০-১২০ টাকা, প্যাকেট ময়দা ৭০ টাকা, মসুর ডাল (মাঝারি) ১২০ টাকা, চিকন ১৩৫-১৪০ টাকা, মুগডাল ১৭০-১৮০ টাকা ও বুটডাল ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খেজুর প্রতি কেজি ১৯০-২১০ টাকা। একটু ভালো খেজুর ৩০০-৪৫০ টাকা পর্যন্ত। বেশন প্রতি কেজি ১২০-১৪০ টাকা। ইশুবগুল ভুসি রাতারাতি এখন বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-৩৫০০ টাকা।
খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ২৩০-২৫০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগির দাম বেড়ে ৩২০-৩৫০ টাকা। বাজারে গরুর মাংস ৬৮০ থেকে ৭২০ টাকা ও খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন আগের মতোই ১৭৩ টাকা ও দুই লিটার ৩৪৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কার্প ২০০-২২০ টাকা, পাঙাশ ১৯০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৪০০-৭০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৫০ টাকা এবং ইলিশ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বরগুনা জেলার বিভিন্ন বাজারে বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আর পারছিনা, মনে চায় গলায় রশি লাগি মরে যাই! বাজারে আসলে মাথা ঠিক রাখতে পারিনা। আবার ব্যবসায়ীরা একটু দাম জিজ্ঞাসা করলেই যে আচরণ করে তা আর বলার ভাষা রাখেনা। সরকার যেন সাধারণ মানুষ নিয়ে রং তামাশায় মেতে উঠেছে। আমরা প্রশাসনের তদারকি সহ এর প্রতিকার চাই।
কিছু অটোরিকশা ও অটোগাড়ির ড্রাইভার সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বলেন, দিনের পর দিন এক এক করে প্রতিটা নিত্য পন্যের দাম বেড়েই চলেছে। শুধু শুনি সিন্ডিকেট হচ্ছে। তাহলে সরকার ও প্রশাসন তাহলে কি করে? নাকি এসব সিন্ডিকেটের সাথে তারা ওতোপ্রোতো ভাবে জরিত। নাহয় সিন্ডিকেট কেন ভেঙে দিচ্ছে না। যদি এই সিন্ডিকেট না-ই ভাংতে পারে তাহলে এমন সরকারের দরকার নেই। আমরা সাধারণ মানুষ একটু ডাল ভাত খেয়ে বাচতে চাই।
এবিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন , আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছি। রমজান মাসে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com